কোস্টগার্ডের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমিতে উঠছে একের পর এক ভবন কোস্টগার্ডের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমিতে উঠছে একের পর এক ভবন - ajkerparibartan.com
কোস্টগার্ডের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমিতে উঠছে একের পর এক ভবন

2:37 pm , December 6, 2019

 

নিজস্ব প্রতিবেদক \ বরিশালে স্থাপণ করা হবে কোস্টগার্ডের বিভাগীয় কার্যালয়। এ জন্য কীর্তনখোলা নদীর নগরীর অপর প্রান্তে জমি অধিগ্রহন করার প্র¯Íাবনা রয়েছে। আর এই প্র¯Íাবিত জমি অধিগ্রহনে সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের পায়তারা করছে একটি চক্র। অধিগ্রহনকৃত জমিতে প্লান বহির্ভূত দায়সারা ভবন নির্মান করা হচ্ছে। এদিকে সরকারের টাকা হাতিয়ে নেয়ার এই প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসকের দুই একজন কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকার অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়রা বলছে, বিকল্প জায়গা অধিগ্রহন করা হোক। জেলা প্রশাসক ও কোষ্টগার্ড জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা অভিযোগ শুনেছে। বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছেন তারা। তবে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেছেন, কোষ্টগার্ডের অর্থ সরকারি অর্থ। কোন অবস্থাতেই এই অর্থ লোপাট করতে দেয়া হবে না। এসব দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে শীঘ্রই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরজমিনে জানা গেছে, কোষ্টগার্ডের নিজস্ব ভবনের জন্য তাদের চাহিদানুযায়ী ২০ একর জমি অধিগ্রহনের জন্য বরিশালের কর্নকাঠীতে জমি নির্ধারন করা হয় জেলা প্রশাসকের পÿ থেকে। অধিগ্রহন হলে নিয়মানুযায়ী ÿতিপূরন বাবদ জমির মালিক জমির মৌজা মূল্যের তিনগুন এবং স্থাপনা বাবদ দ্বিগুন পাওয়ার কথা। এরই সূত্র ধরে অধিগ্রহন হওয়ার পূর্বাভাস পেয়েই ভূমি দস্যুখ্যাত স্থানীয় আ’লীগ নেতা সুরজ মোলøা বাহিনী সেখানে ভবন নির্মান শুরু করে দেয়। প্লান বহির্ভূত দায়সারা ভাবে নির্মান করা এমন ভবনের সংখ্যা এখন সেখানে ২০টির মত। যা অধিগ্রহন করতে গেলে সরকারকে কমপÿে ৩০ থেকে ৩৫কোটি টাকা বেশী দিতে হবে। সরজমিনে দেখা যায়, সুরুজ মোলøা, জুয়েল হাওলাদার, ওমর ফারুক, রেজাউল করিমরা সেখানে ভবন তুলেছেন ৪তলা। এ ছাড়া সোহাগ চৌকিদার, জাকির মৃধা, পারভেজ হাওলাদার, আলেয়া পারভিন, তানভির হোসেন, সোহেল হাওলাদার, মোশাররফ হোসেন খান, রেজাউল করিম, এমদাদুল হক সহ বাকীরা দুই তলা ও এক তলা ভবন নির্মান করেছেন অধিগ্রহন হওয়ার সম্ভাব্য স্থানে। অবশ্য ভবন নির্মানকারিরা বলছেন, তারা সেখানে থাকার জন্যই এই ভবনগুলো নির্মান করেছেন। প্লান আছে কিনা এমন প্রশ্মের জবাবে তারা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্লান নিয়েছে তারা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জমি অধি গ্রহনের খবর পেয়েই তারা ভবন নির্মান শুরু করেছেন। তাদের মতে, জেলা প্রশাসকের অফিস থেকেই এরা অধিগ্রহন হওয়ার খবর পেয়ে যায়। আর এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে যেন তেন ভাবে ভবন নির্মান করে ভবন বাবদ দ্বিগুন অর্থ আদায় করে। তারা জানান, গনপূর্ত তাদের রুলস অনুযায়ী ভবনের যে মূল্য নির্ধারন করে তা সাধারনত প্রকৃত মূল্যের অনেক বেশী হয়ে থাকে। ফলে ভবনের দ্বিগুন দাম পাওয়ার এই সুযোগটিই ভূমি দস্যুরা কাজে লাগায়। সুরুজ মোলøা বাহিনী এর আগেও বরিশাল বিশ^ বিদ্যালয় ও ফায়ার সার্ভিসের জমি অধিগ্রহনের ÿেত্রেও সরকারের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে।
এ বিষয়ে চক্রটির মূল হোতা সুরুজ মোলøা বলেন, এই জমি অধিগ্রহন না হলে তার কোন ÿতি হবে না। এ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কিভাবে ভবনের প্লান দিয়েছেন এ বিষয়ে মনিরুল ইসলাম ছবির কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ প্লান দিতে যাবে কেন? প্লান দেয়ার কাজতো ইউনিয়ন পরিষদের নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। এব্যাপারে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দÿিন জোনের লে: মাহবুবুল আলম সাকিল বলেন, ভূমিদস্যুদের এই অপতৎপরতা তারা শুনেছেন। বিকল্প ব্যাবস্থা নেয়ার বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT