আমি ষড়যন্ত্রের শিকার আমি ষড়যন্ত্রের শিকার - ajkerparibartan.com
আমি ষড়যন্ত্রের শিকার

2:56 pm , November 6, 2019

খান রুবেল ॥ বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ অভিযোগ করে বলেছেন, ‘একটি সংঘবদ্ধ চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সাংবাদিকদের ব্যবহার করে উদ্দেশ্যহীনভাবে আমার রাজনৈতিক, সামাজিক এবং ব্যবসায়ীক ক্ষতির চেষ্টা করছে। আর বার বারই বরিশাল থেকে আমার উপর এমন আক্রমন করা হচ্ছে। সম্প্রতি সময়ে বরিশালে এক আওয়ামী লীগ নেতা’র করা সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন অভিযোগ ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনসহ রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমপি পঙ্কজ দেবনাথ এমন অভিযোগ করেছেন।
বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল, মেহেন্দিগঞ্জ এবং হিজলা উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের সমালোচনা করেন এমপি পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, ‘প্রতিটি মানুষের জ্ঞাত আয়ের উৎস প্রকাশ থাকা উচিৎ। ‘সম্প্রতি ‘প্রথম আলো’ পত্রিকায় লেখা হয়েছে আমি ঢাকায় ২২৪টি বিহঙ্গ পরিবহনের (বাস) মালিক। আসলে যিনি প্রতিবেদনটি লিখেছেন তিনি ভালোভাবে খোঁজ খবর না নিয়েই এটি করেছেন।
কেননা বিহঙ্গ পরিবহন লিমিটেডের মালিক আমি একা নই। এর সঙ্গে আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন। ২০১০-১১ সাল থেকে ওই কোম্পানিতে আমার ২০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে মাত্র। পাশাপাশি আমি ওই কোম্পানির চেয়ারম্যান। বর্তমানে দুটি রুটে চলাচল করা বিহঙ্গ পরিবহন লিমিটেড এর সর্বোচ্চ ৫৫-৬০টি বাস থাকতে পারে। যার মধ্যে একটি বাস আমার নিজের। আর এটি আমার সম্পূর্ণ বৈধ ব্যবসা জ্ঞাত আয়।
বরাবরই আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে এমপি পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, ‘আমি কখনই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নৌকার বিরোধীতা করিনি। মুলত বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বানিজ্যের কারনেই আমার নির্বাচনী এলাকা হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জে নৌকার বিজয় হচ্ছে না।
তবে যারা বিজয়ী হচ্ছেন এরা নৌকা প্রতীকের না হলেও তারা আওয়ামী লীগের বাইরের লোক নয়, বরং তৃনমুল আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের পছন্দের প্রার্থী। উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে মনোনিত প্রার্থীদের তালিকা অনুযায়ী প্রার্থীদের নৌকা প্রতীক দিলে তবে নৌকার বিজয় হতো।
সম্প্রতি সময়ে অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর পরাজয়ের কারণ তুলে ধরে পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, ‘মুলত নৌকার বিজয় নয়, বরং আমাকে ফাঁদে ফেলে বিএনপি’র প্রার্থীকে বিজয় করতেই এ্যাডভোকেট মুনসুর আহমেদকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। কেননা যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তিনি নির্বাচনের অন্তত আট মাস পূর্বে থেকে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নির্বাচন করবেন না বলে ঘোষনা দিয়ে আসছিলেন।
তাছাড়া মনোনয়ন পাওয়ার পূর্বে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং তৃনমুলের সঙ্গে কোন প্রকার আলোচনাই করেননি। এমনকি আমি স্থানীয় সংসদ সদস্য হওয়া সত্যেও আমার কাছে একবারের জন্যও এ বিষয়ে কোন পরামর্শ বা যোগাযোগ করা হয়নি। তার পরেও আমি নিজ উদ্যোগে নৌকা’র বিজয় নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়েছি। আর যিনি নৌকার মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি কারোর কাছে ভোট চাননি, চেয়েছিলেন দোয়া। যেটা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভের অন্যতম কারণ হয়েছিল।
এমপি পঙ্কজ দেবনাথ অভিযোগ করে বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়াটা তাদের মুল লক্ষ্য ছিলো না। তাদের লক্ষ্য ছিল আমাকে ফাঁদে ফেলা। তা না হলে যেখানে বিএনপি দলীয় একজন প্রার্থী সেখানে আওয়ামী লীগ ঘরানার ৫ জন প্রার্থী দেয়া হতো না। দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা না করে তিনি একা একা ভোট চেয়েছেন। নির্বাচনের দিন কোন কেন্দ্রে নৌকার এজেন্ট দেননি তিনি। এটা না দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগের নেত্রী ও দলের সঙ্গে বেঈমানী করেছেন।
পঙ্কজ দেবনাথ দাবি করে বলেন, ‘দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা না বলে, কারোর কাছে ভোট না চেয়ে তিনি নির্বাচনের তিন দিন পূর্বে বরিশালে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুসও আমার বিরুদ্ধে কথা বলেন। অথচ জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতা হওয়া সত্যেও তিনিসহ জেলার নেতৃবৃন্দ একবারের জন্যও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচার প্রচারনায় আসেননি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দলীয় প্রার্থী’র মনোনয়ন চুড়ান্ত হওয়ার পরে ঢাকায় সংসদ ভবনের একটি কক্ষে প্রার্থীকে নিয়ে গোপন বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে প্রার্থীকে শিখিয়ে দেয়া হয় নির্বাচনী এলাকা থেকে নিজের পাঞ্জাবী ছিড়ে সরাসরি ঢাকায় যাওয়ার জন্য। পরে তারা নেত্রীর কাছে অভিযোগ দিয়ে আমাকে ফাঁদে ফেলবে। নির্বাচনী এলাকায় না থেকে প্রার্থী যখন পার্লামেন্টের আশপাশে অভিযোগ নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন, তখন ভাবলাম আমাজে ফাঁদে ফেলার জন্যই এই প্রার্থী দেয়া হয়েছে। তাছাড়া কেউ নিজে হাড়তে চাইলে তাকে জিতাবে কে ? মুলত নির্বাচনের তিন দিন পূর্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুসের করা সংবাদ সম্মেলনের কারনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ভরাডুবি ঘটেছে।
এমপি পঙ্কজ দেবনাথ অভিযোগ করে বলেন, ‘শুধুমাত্র সম্প্রতি সময়ের নির্বাচন নিয়েই ষড়যন্ত্র নয়, বরং অনেক আগে থেকেই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। মাত্র ক’দিন পূর্বে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বরিশালের একটি রেস্তোরায় সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। যিনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন তাকে কে এবং কারা ইন্ধন যোগাচ্ছে, তাও আমার বুঝতে বাকি নেই। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে সে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কার মাধ্যমে গণভবনে প্রবেশের টিকেট পেল সেটাও জানার বাকি নেই। আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মি আহমেদ তাকে গণভবনে প্রবেশের টিকেট দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন সেটাও জানা রয়েছে।তিনি বলেন, ‘সঞ্জয় নামের যে ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি ছিলেন মেহেন্দিগঞ্জের বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের মেম্বার এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে ওই ইউনিয়নে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়। এজন্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। এজন্য আমাকে সাইজ করতে তাকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যাকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ থেকে বহিস্কার করা হয় সেখানে তাকে দেয়া হয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদকের পদ। বিশেষ মহলের ইন্ধনেই ওই ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যাচার করছে। সংবাদ সম্মেলনে সঞ্জয় চন্দ্রের করা অভিযোগের ঘুষ-দুর্নীতিসহ করা ১৬টি অভিযোগের ব্যখা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ‘স্কুলে নিয়োগের বিষয়ে এমপিদের ক্ষমতা কতটুকু সেটা সবাই জানে। এখানে এমপিদের হস্তক্ষেপের কোন সুযোগ নেই। আমাদের কাছে কেউ আসলে আমরা তাদের সুপারিশ করে দিতে পারিমাত্র। কিন্তু সেই সুপারিশ রাখা না রাখা নিয়োগ কমিটির ব্যাপার। তাছাড়া আমার ভাই-বোন বা ভাইয়ের স্ত্রী নিজেদের যোগ্যতায় চাকুরী পাওয়াটা কি আমার অপরাধ ? তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে দেশে এবং ভারতে বিলাশবহুল বাড়ি, অবৈধ অর্থ-সম্পদ এবং আমার স্ত্রী-সন্তানদের নামে-বেনামে অর্থ সম্পদ রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আসলে এসব তথ্য ভিত্তিহীন। আমার জ্ঞাত আয়ের অর্থ দিয়ে ব্যবসা করাটা কি অপরাধ, এমন প্রশ্ন তুলে এমপি পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, ‘আমার গাড়ি-বাড়ি বা অবৈধ সম্পদ কি আছে সেটা আপনার খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন। তাছাড়া হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নদী ভাঙ্গন এলাকা। তাই আমি উপজেলার নদীগুলোতে কোন প্রকার ড্রেজিং করতে দিচ্ছি না। সেখানে বালুমহল ইজারা এবং টেন্ডারবাজী-দুর্নীতির প্রশ্নই আসে না। মুলত যারা সঞ্জয়কে দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করিয়েছে তারা সব কিছু না যেনে বুঝেই ভুল তথ্য দিয়ে এ কাজটি করিয়েছেন। তাই আমি আমার বিরুদ্ধে করা মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে যারা আমার বিরুদ্ধে বারবার ষড়যন্ত্র করছে শান্তির দাবি জানাচ্ছি। অপরদিকে সম্প্রতি কেন্দ্র থেকে প্রকাশ পাওয়া বরিশাল বিভাগে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীর তালিকার শীর্ষে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নাম থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে এমপি পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, ‘আমি নিজে এখন পর্যন্ত কোন তালিকা পাইনি। কিন্তু বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে এটি জানতে পেরেছে। কিন্তু এখানে যাদের নাম এসেছে তাদের সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকেরাই চেনে না। আবার এমন কারোর নাম এসেছে যারা পূর্বপুরুষ থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।অথচ আমাকে সাইজ করার জন্য মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানা আওয়ামী লীগের যে কমিটি বরিশাল থেকে দেয়া হয়েছে সেখানে শুধুমাত্র জামায়াত নেতা-কর্মীরা সংখ্যাই ২২ জন। এছাড়া থানা যুবলীগের কমিটিতে জামায়াত-বিএনপি’র নেতা-কর্মীর সংখ্যা ৩০ জনের উপরে। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের কমিটিতেও একই অবস্থা। তাছাড়া বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক, হিজলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান টিপু সিকদারের নাম ওই তালিকায় নেই। এর কারন কি এমন প্রশ্নতুলে তিনি বলেন, ‘এসব অনুপ্রবেশকারীরা কিভাবে আওয়ামী লীগে আসল আর কিভাবে বড় বড় পদ পেল সেটা’র উত্তর দিবে কে ? যে কারনে সদ্য প্রকাশিত আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীর ওই তালিকা আমি মানিনা। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ভুলু, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. কামাল উদ্দিন খান, নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মাহফুজুল আলম লিটন, হিজলা উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ বেলায়েত ঢালী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রোমানা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সরকার ও শহীদ শাহ, হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মিলন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, নুরুল ইসলাম জামাল মোল্লা, রফিকুল ইসলাম টেনু খন্দকার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার শাহে আলম বয়াতীসহ হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা’র বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার কাউন্সিলর, ইউপি মেম্বার, আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট ইউনিট কমিটির সভাপতি-সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT