পাথরঘাটার মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষন চেষ্টার মামলা করে বিপাকে পরিবার পাথরঘাটার মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষন চেষ্টার মামলা করে বিপাকে পরিবার - ajkerparibartan.com
পাথরঘাটার মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষন চেষ্টার মামলা করে বিপাকে পরিবার

3:28 pm , December 7, 2018

পাথরঘাটা প্রতিবেদক ॥ পাথরঘাটায় একজন মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে মামলা করে বিপাকে পড়েছে পরিবারটি। উপজেলার আমড়াতলা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্রী ধর্ষন চেষ্টাকারী ও মামলার আসামী হলো-গ্রাম পুলিশ (দফাদার) হলো-জাহাঙ্গীর হোসেন বয়াতী। সে উপজেলার কালমেঘা ইউপির কালিকাপুর গ্রামের শিরু বয়াতীর ছেলে।
গত ৫ অক্টোবর শুক্রবার রাতে ঘরে দুই কন্যা ও ছেলেকে রেখে তালাবদ্ধ করে বাড়ির সামনের খালে ধর্মজাল (এক ধরনের জাল) দিয়ে মাছ শিকারে যায় দিনমজুর ছাত্রীর বাবা ও মা। রাত ১০ টার দিকে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৮) তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। তখন ঘরের বাইরে পাহারায় ছিল প্রতিবেশী কদম আলীর পুত্র বেল্লাল হোসেন (১৮)। পরে ঘরে গিয়ে জাহাঙ্গীর ঘুমন্ত ছাত্রী কিশোরীকে মুখ চেপে চৌকি (খাটিয়া) থেকে নিচে নামিয়ে ধর্ষনের চেষ্টা করে। জাহাঙ্গীরের সাথে ধস্তাধস্তি করার এক পর্যায়ে ছাত্রীর ডাকচিৎকারে মাসহ প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। তখন জাহাঙ্গীর সহযোগিসহ পালিয়ে যায়। পরে ধর্ষন চেষ্টায় ছাত্রীর শরীর খামছে রক্তাক্ত জখম এবং জামা কাপড় ছিড়ে অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বরকে অবহিত করাসহ থানায় মামলা করতে যায় ছাত্রীর পরিবার। পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করে। পরে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা করেন। মামলায় জাহাঙ্গীরকে প্রধান আসামী করা হয়। অপর আসামী হলো-বেল্লাল। বিচারক মামলার তদন্তভার মাদ্রাসা সুপারের উপর অর্পন করেছেন।
এদিকে ছাত্রীর পরিবার অভিযোগ করেছে, জাহাঙ্গীর ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার হওয়ার কারনে প্রভাব বিস্তার করছে। ঘটনাটি শুরু থেকেই ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে এবং এখনও তা অব্যাহত রয়েছে।
অপরদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা গেছে, জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীরসহ আরও অভিযোগ রয়েছে। সে এমন আরও অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রতিবেশী একটি হিন্দু বাড়িতে গিয়ে ওই বাড়ির প্রবাসীর স্ত্রীকেও কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবন্ধী সহ যে কোনো নারীর দুর্বলতায় সে অবৈধ কর্ম করে বলে গ্রামের লোকজন অভিযোগ করেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আকন মো. সহিদ জানান, তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। মৌখিক শুনেছেন। তাৎক্ষনিক বিষয়টি ইউএনকে অবহিত এবং পুলিশকে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছেন। তারা যথাযথ তথ্য প্রমান পায়নি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT