ঝুঁকিতে কর্মস্থলে ফেরার যুদ্ধ ॥ টিকিটের জন্য হাহাকার ঝুঁকিতে কর্মস্থলে ফেরার যুদ্ধ ॥ টিকিটের জন্য হাহাকার - ajkerparibartan.com
ঝুঁকিতে কর্মস্থলে ফেরার যুদ্ধ ॥ টিকিটের জন্য হাহাকার

5:27 pm , August 28, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে প্রতিদিন প্রায় সকল বিলাসবহুল লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে নদী বন্দর ত্যাগ করছে। ফলে ঘটছে দুর্ঘটনা, আতংকিত হচ্ছেন যাত্রীরা। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও ডেকে জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই যাত্রীরা বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসে গন্তব্যে যাচ্ছেন। অপরদিকে ফিরতি যাত্রীরা কেবিনের টিকিট পাচ্ছে না। লঞ্চ কাউন্টার থেকে বলা হচ্ছে ঈদের আগেই কেবিন শেষ। তাই কর্মজীবী যাত্রীসহ সকলে বাধ্য হয়ে লঞ্চের সংরক্ষিত এলাকাসহ (বিপদ জনক) ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসে কর্মস্থলে রওয়ানা হয়েছেন। সোমবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল নদী বন্দর এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে। এদিকে শনিবার ও সোমবার ঢাকাগামী ৪ লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে ডুবতে বসেছিল ঢাকা-পটুয়াখালী নৌরুটে চলাচলকারী কুয়াকাটা-২ ও ঢাকা-হাতিয়া নৌরুটে চলাচলকারী এমভি ফারহান-৪। দু’টি লঞ্চ পাশ ঘেষে গেলেও বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই রক্ষা পেয়েছেন ২ হাজারের অধিক যাত্রী। সোমবার বেলা ২টায় পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থেকে ছেড়ে আসা অভিযান-৭ লঞ্চটি কঁচা নদীর মাঝ পথে আসা মাত্রই হুলারহাট ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া অগ্রদূত প্লাস লঞ্চকে ধাক্কা দিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অভিযান-৭ লঞ্চটি পাশের একাংশের ৫/২ ইঞ্চি ফেঁটে যায়। পরে ৩ ঘণ্টা মেরামতের পর লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। লঞ্চের প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ক্ষমতা প্রদর্শনের বিষয় তো রয়েছেই। কার আগে কে পৌঁছাতে পারবে সেটাই মাস্টারদের কাছে মুখ্য বিষয়। যাত্রীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে আইনের তোয়াক্কা না করে এসব ঘটনা ঘটছে হর হামেশা। বিআইডব্লিউটিএ থেকে কড়া নির্দেশনা থাকলেও তা যেন মাস্টার বা ড্রাইভারদের কান পর্যন্ত পৌছায় না। তবে অনেক মাস্টার বলছেন মালিকদের চাপের কারণেও অনেক সময় বেপরোয়া লঞ্চ চালাতে হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বরিশাল ঢাকা রুটের একটি বিলাসবহুল লঞ্চের মাস্টার জানান, মেঘনা পাড়ি দেয়ার সময় রাতে অনেক কিছুই ঘটে। বলা যায় প্রতিযোগিতা। কিন্তু দেখার যেন কেউ নেই। আমরাও রাতে অনেক গতিতে লঞ্চ চালাই তবে এই ক্ষেত্রে মালিকদের চাপও রয়েছে। কেননা এই সিজনে সবাই লাভবান হওয়ার চিন্তায় থাকেন। এই বিষয়ে বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার জানান, সকল লঞ্চকে কড়া নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। যদি কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া বরিশাল নদী বন্দর থেকে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে কোনো লঞ্চ ছাড়তে দেয়া হচ্ছে না।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT