ইভিএমএ ভোট কেন্দ্র বেড়েছে আরো একটি ইভিএমএ ভোট কেন্দ্র বেড়েছে আরো একটি - ajkerparibartan.com
ইভিএমএ ভোট কেন্দ্র বেড়েছে আরো একটি

6:39 pm , July 15, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কাকতালিয়ভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর তালিকা থেকে বাদ পড়লো ১৮নং ওয়ার্ড। ওই ওয়ার্ডের পরিবর্তে ২৮নং ওয়ার্ডের তিনটি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। অবশ্য ওয়ার্ড পরিবর্তন হলেও একটি কেন্দ্রে ইভিএম বাড়ানো হয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৪টি ওয়ার্ডের ১১টি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হবে। বরিশাল জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিগত নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হয়েছিলো। তবে এবারের বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এভিএম’র চাহিদা বেড়েছে। অধিকাংশ প্রার্থীই তাদের ভোট কেন্দ্রে ইভিএম চেয়েছে। তাই পূর্বে ১০টি কেন্দ্রে ইভিএম দেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও তা বাড়িয়ে ১১টি করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের ১২, ২০, ২১ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১১টি কেন্দ্রে ইভিএম মেশিন থাকবে। এলাকার ভোটার সংখ্যা ও শিক্ষিত জণগোষ্ঠির হার বিবেচনা করে ওই কেন্দ্র গুলোতে ইভিএম স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। এ চারটি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ২৪ হাজার ৮০৬ জন।

চারটি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২নং ওয়ার্ডের দুটি ভোট কেন্দ্রের দু’টিতেই ইভিএম থাকবে। কেন্দ্র দুটি হলো- কিশোর মজলিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নুরিয়া আইডিয়াল স্কুল কেন্দ্র। ২০নং ওয়ার্ডের ৩টি কেন্দ্রীয় ইভিএম থাকবে। কেন্দ্রগুলো হলো- আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিএম কলেজের কলা ভবন ও বানিজ্য ভবনে ইভিএম থাকবে। ২১নং ওয়ার্ডের তিন কেন্দ্র সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, সৈয়দ আব্দুল মান্নান ডিডিএফ সিনিয়র ও হাফেজি মাদ্রাসার নিচ তলায় ও সৈয়দ আব্দুল মান্নান ডিডিএফ সিনিয়র ও হাফেজি মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় কেন্দ্রে ইভিএম থাকবে। এছাড়া ২৮নং ওয়ার্ডের ৩টি কেন্দ্রের তিনটিতেই থাকবে ইভিএম। কেন্দ্রগুলো হলো- দারুস সালাম কাশীপুর নেছারিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা, নবজাগরনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চহুতপুর (এলেমদ্দিন শরিফ) মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

এদিকে ইতিপূর্বে সিটি কর্পোরেশনের ১৮নং ওয়ার্ডকে ইভিএম’র আওতাভুক্ত করে চারটি ওয়ার্ডের মোট ১০টি কেন্দ্রে ইভিএম স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। এমনকি নির্বাচন কমিশনের সহকারী পরিচালক স্টাফ ট্রেনিং অফিসার মো. সাব্বির আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পত্র গত ১০ জুলাই বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে এসে পৌছায়। সে অনুযায়ী চারটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের দুদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ ও পরে ভোটারদের প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করা হয় ওই চিঠিতে। যা এরই মধ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া প্রস্তুতি নেন ওয়ার্ডের প্রার্থীরাও। তারা তাদের এজেন্টদের প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি গ্রহন করে। কিন্তু ১৪ জুলাই হঠাৎ করেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের পরিবর্তন আসে। আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে ১৮নং ওয়ার্ডে ইভিএম বাতিল করে তা ২৮নং ওয়ার্ডে স্থানান্তর এবং ১০টির স্থলে ১১টি কেন্দ্রে ইভিএম স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। যা নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানতে ১৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর মীর একেএম জাহিদুল কবির রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রশ্ন করলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। অবশ্য রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ভোটার সংখ্যা, ভোট কেন্দ্রের দুরত্ব এবং শিক্ষিত ভোটারের সংখ্যা বিবেচনা করে ইভিএম স্থাপন করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
সম্পাদক ও প্রকাশক: কাজী মিরাজ মাহমুদ
 
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ কুশলা হাউজ, ১৩৮ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক,
সদর রোড (শহীদ মিনারের বিপরীতে), বরিশাল-৮২০০।
© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed by NEXTZEN-IT