গৌরনদী পৌর মেয়রসহ ২১ আসামীর নামে যুবলীগ নেতা হত্যা চেষ্টার মামলা


নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যুবলীগ নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় বরিশালের গৌরনদী পৌরসভার মেয়রসহ ক্ষমতাসীন দলের ২১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার বরিশাল জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের কাছে নালিশী অভিযোগ করেন যুবলীগ নেতার মা তাপসী রানী গুহ। সে উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি ও বিল্বগ্রামের বাসিন্দা কালিয়া দমন গুহের স্ত্রী।
হাকিম তরুন বাছার নালিশী অভিযোগ এজাহার হিসেবে রুজু করে গৌরনদী থানার ওসিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
উপজেলা যুবলীগ নেতা ও মাহিলারা ইউপির চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর ভাই সলিল গুহ পিন্টুকে গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কুপিয়ে জখমের পর ফেলে রাখে প্রতিপক্ষরা।
এই ঘটনার ১৪ দিন পরে করা মামলার আসামীরা হলো-পৌর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও মেয়র হারিছুর রহমান, আল-আমিন হাওলাদার, দেলোয়ার হাওলাদার, জিয়া হাওলাদার, জামাল হোসেন বাচ্চু, রাসেল হাওলাদার, রিপন বেপারী, দুলাল গোমস্তা, রায়হান বেপারী, মামুন বেপারী, রাসেদ খান,সুমন সরদার, কালা আলআমিন ও সুমন চক্রবর্তীসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন।
এরা সকলেই ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও কর্মী।
নালিশীতে আনা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাদীর ছেলে মাহিলারা ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর সাথে মেয়র হারিছের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। গৌরনদীতে মেয়র হারিছ একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার ও একনায়কতন্ত্র হাসিলের চেষ্টা করছে।
এর প্রতিবাদ করায় ওই দ্বন্দ্বের জেরে মেয়র হারিছের প্ররোচনা ও হুকুমে আসামীরা হত্যার উদ্দেশ্যে ভাই সলিল গুহ পিন্টুর উপর হামলা করে। আসামীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতারিভাবে কুপিয়ে জখম করে।