হাসপাতালের লাশ ঘরে পরে থাকা তরুনী মাদারিপুরের রত্না

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের লাশ ঘরে পড়ে থাকা তরুনীর পরিচয় মিলেছে। ১৯ বছর বয়সী তরুনীর নাম রত্না ঢালী। তার বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ডাসার গ্রামে। গত দুই মাস পূর্বে সরিয়তপুরের কান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও প্রবাসী সুমন মন্ডল এর সঙ্গে বিয়ে হয় তার। অজ্ঞাত কারনে তরুনী তার বাবার বাড়িতে বিষপানে আত্মহত্যা করে বলে জানিয়েছেন থানা পুলিশ।
এদিকে গতকাল সোমবার শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে নববধূ রত্না ঢালীর মরদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। তাছাড়া সন্ধ্যার পূর্বে বরিশাল মহা স্মশানে রত্নার শেষ কৃত্তি সম্পন্ন করেছে স্বজনরা।
স্বজনদের বরাত দিয়ে কোতয়ালী মডেল থানার সংশ্লিষ্ট এসআই এবং অপমৃত্যু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রত্নার স্বামী সুমন ঢালী বিদেশে থাকে। সম্প্রতি সে দেশে ফিরে গত দুই মাস পূর্বে রত্নাকে বিয়ে করে। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত রোববার রত্মা তার বাবা বাড়িতে ছিলো। অজ্ঞাত কারনে নিজ ঘরের স্বয়ন কক্ষে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সে। বাবার বাড়ির স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ আরো জানায়, রত্মার পরিবার গরিব। মেয়ের মৃত দেহ বরিশাল থেকে নিয়ে যাওয়ার খরচ বহন করা সম্ভব না হওয়ায় হাসপাতালে লাশ রেখে তারা চলে যায়। পরে কালকিনি থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে মৃত্যুর স্বজনদের বরিশালে নিয়ে আসা হয়। লাশ বরিশাল থেকে নেয়ার খরচ না থাকায় বরিশাল স্মশানেই তার শেষ কৃত্তি করা হবে বলেও জানান পুলিশের ঐ কর্মকর্তা।