সোস্যাল মিডিয়া সংলাপে বক্তারা ইউনিয়ন পর্যায় থেকে ধান-চাল সংগ্রহে ন্যায্যমূল্য পাবে কৃষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ইউনিয়ন পর্যায় থেকে যদি ধান সংগ্রহ করা যায় সেক্ষেত্রে ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করণ সম্ভব হবে। গতকাল রোববার বিকেল ৪টায় নগরীর জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে সোস্যাল মিডিয়া সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্যোসাল মিডিয়া সংলাপে অংশগ্রহণ করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, কৃষি মন্ত্রনালয়, খাদ্য অধিদপ্তর, বিভাগীয় প্রশাসন, ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন, বরগুনা জেলা প্রশাসন, পিরোজপুর জেলা প্রশাসন, পটুয়াখালি জেলা প্রশাসন প্রমুখ। ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ স্যোসাল মিডিয়া সংলাপে বক্তারা তাদের মতামতগুলো তুলে ধরেন। তারা বলেন, দক্ষিণাঞ্চলে আমন ধানের উৎপাদন বেশি হয়ে থাকে। কিন্তু আমন ধান সংগ্রহে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা সীমিত থাকায় কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। কারণ এই অঞ্চলে যে পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়। সে অনুপাতে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা না থাকায় প্রচুর পরিমাণে ধান উদ্বৃত্ত থাকে। যার ফলে কৃষকরা কম দামে আমন ধান বিক্রি করছে। আবার দেখা যাচ্ছে মিল মালিকরা কৃষকদেরকে অগ্রিম দাদন দেয়ার ফলে ধান উৎপাদন হওয়ার সাথে সাথে কম মূল্যে ওই চাতাল মালিকদেরকে দিয়ে দিতে হয়। সেক্ষেত্রে সাধারণ কৃষক ধান উৎপাদন করেও ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ সময় বক্তারা বলেন, সরকার যদি সরাসরি ইউনিয়ন পর্যায় থেকে কৃষকদের কাছ থেকে ধান/চাল সংগ্রহ করতে পারে। তাহলে তাদেরকে ন্যায্যমূল্য প্রদান করা সম্ভব হবে। এছাড়াও ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ২৫টি উপজেলায় ধানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন শূন্যের কোঠায় রয়েছে। এদিকে সাধারণ কৃষকরা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্রয়-বিক্রয় ওয়েব পোর্টালগুলোতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে ধান বা চাল বিক্রি করতে পারে। এ সময় খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে আগামী ২৯ অক্টোবর সভার মাধ্যমে এবারে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও মূল্য নির্ধারণ করা হবে। এছাড়াও কৃষকদেরকে ধানের ন্যায্য মূল্য ফিরিয়ে দিতে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে হবে। সংলাপে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক, রাজস্ব, শিক্ষা ও আইসিটি) আবুল কালাম আজাদ, আহসান হাবিব, কাজী হোসনে আরা, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও প্রতিনিধিবৃন্দ।