সুমন হত্যা মামলায় বন্ধু শওকতকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে প্রেরন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নগরীর আবাসিক হোটেল এরিনা থেকে মাতাল অবস্থায় পড়ে নিহত ইমরান হোসেন সুমন হত্যা মামলার গ্রেপ্তার করা আসামী বন্ধু শওকত হোসেনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেছেন, তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ন তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আবারো রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

তবে পুলিশের নির্ভরযোগ্য সুত্র জানিয়েছে, শওকত জিজ্ঞাসাবাদে একই কথা বলেছে। সে জানিয়েছে, তারা হোটেলের কক্ষ ভাড়া নিয়ে মদ পান ও জুয়া খেলেছে। তাদের সাথে আরো ৮ বন্ধু ছিলো। তারা চলে যাওয়ার পর কক্ষে সে ও নিহত সুমন ছিলো। গভীর রাতে মাতাল সুমন ৫০৭নং কক্ষ থেকে কাচের উপর ঝাঁপ দেয়। এতে সে নিচে পড়ে নিহত হয়েছে।

তবে শওকত প্রথমে নিজের হাত কেটে যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে কারন না বললেও তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছে সুমনকে রক্ষা করতে গিয়ে কাঁচে হাত কেটে গেছে।

গত ২০ জুলাই পড়ে নিহত হয় সুমন। সে কাশিপুরের ফিসারী রোডের আফতাফ সিকদারের ছেলে। এই ঘটনার পর পুলিশ তার বন্ধু শওকতকে গ্রেপ্তার করে। সে নগরীর বগুড়া রোডের বাসিন্দা ও যাত্রাবাড়ী এলাকার লৌহ ব্যবসায়ী।

এই ঘটনায় সুমনের ভাই একমাত্র শওকতকে নামধারীসহ অজ্ঞাত নামাদের আসামী করে মামলা করেছে। সেখানে ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ এনেছে। তবে কারন উল্লেখ করেনি।