সাদিক আবদুল্লাহর প্রশংসনীয় উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ আইএইচটি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক পদে ছিলেন মোঃ আসলাম। গত কয়েকদিন ধরে আইএইচটির শিক্ষার্থীর কাছ থেকে চাঁদা তুলছেন। তবে নিজের পরিচয়ে নয়। তিনি চাঁদা আদায় করছেন মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নাম ব্যবহার করে।

ইতিমধ্যে প্রায় কয়েক লাখ টাকা উত্তোলনও করেছেন। তবে শেষ রক্ষা তার হয়নি। বিষয়টি দ্রুত চলে যায় সাদিক আবদুল্লাহর কানে। ব্যাস এ্যাকশন শুরু। বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি কোতয়ালী পুলিশকে অবহিত করেন সাদিক আবদুল্লাহ। আটক করা হয় আসলামকে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসলাম স্বীকার করে সাদিক আবদুল্লাহর নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা আদায়ের কথা। অথচ সাদিক আবদুল্লাহ আসলামকে ভালো করে চিনতেনও না।
একাধিক শিক্ষার্থী জানান, আইএইচটির প্রায় কয়েকশ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনেক টাকা আদায় করেছে আসলাম। কারো কাছ থেকে ৫শ, কারো নিকট থেকে ৩শ টাকা হারে আদায় করা হয়। একটি অনুষ্ঠান হবে, সেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন সাদিক আবদুল্লাহ এমন কথা বলে টাকা নেয়া হয়েছে। অনেকের কাছে আবার বলা হয়েছে পিকনিক হবে সেখানে ‘সাদিক ভাই’ থাকবেন তাই টাকা দিতে হবে। বিষয়টি অনেক শিক্ষার্থীর সন্দেহ হলে তারা সাদিক আবদুল্লাহর কানে দেন। আসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে মেয়েদের হোস্টেলে তার অবাধ যাতায়াত। ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ টু শব্দটিও করতে পারতো না। সাদিক আবদুল্লাহর কানে একথাটি আসার পরই এ্যাকশন শুরু হয়। রাতেই কোতয়ালী থানার এসি ও ওসিকে বিষয়টি অবহিত করেন সাদিক আবদুল্লাহ। পুলিশ আসলামকে আটক করে। তবে, মুচলেকা দিয়ে এযাত্রা ছাড়া পান আসলাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অনেক এলাকায়ই সাদিক আবদুল্লাহর নাম ব্যবহার করে চাঁদা আদায় করছে একটি চক্র। তারা সাদিক আবদুল্লাহর সুনাম নষ্ট করতেই এ পন্থায় হাটছেন। তবে এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি পুলিশকেও অনুরোধ করেছেন সজাগ দৃষ্টি রাখতে।
পুলিশকে সাদিক আবদুল্লাহ অনুরোধ করেছেন কেউ যদি তার নাম ব্যবহার করে এ ধরনের অপকর্ম করে তাহলে সাথে সাথে আটক করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে। শুধু তাই নয়, নগরবাসীর প্রতিও তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন কেউ তার নাম ব্যবহার করলে অপকর্ম করার চেষ্টা করলে দ্রুত যেন তাকে অবহিত করা হয়। আইএইচটির একাধিক শিক্ষার্থী জানান, সাদিক আবদুল্লাহর এমন উদ্যোগে তারা খুব খুশি।
সূত্র জানায়, গত তিন দিনে আসলাম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা আদায় করেছে। বেশিরভাগ টাকা আদায় করা হয়েছে আবাসিক হলের ছাত্রীদের কাছ থেকে। তাদেরকে নানা রকম ভয় দেখিয়ে এ টাকা আদায় করা হয়।