সদর উপজেলা ও নলছিটির বাল্য বিয়ের সমাচার

পরিবর্তন ডেস্ক॥ বরিশাল সদর উপজেলায় বাল্য বিয়ে দেয়া কাজীর অপসারনে বেসরকারী সংস্থা স্মারকলিপি দিয়েছে। আর নলছিটি উপজেলায় মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কারনে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে এক কিশোরী। গতকাল রোববার পৃথক এই দুটি ঘটনা ঘটেছে।
বেসরকারী সংস্থা নারী নেটওয়ার্ক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, কড়াপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণী পড়–য়া ছাত্রীর সাথে ১৮ বছর বয়সী মোটর মেকানিকে সাথে শুক্রবার বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেছেন কাজী খায়রুল বাশার।
বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, রায়পাশা কড়াপুর ইউপিতে কাজী খায়রুল বাশার দুই সহযোগি মজিদ মাওলানা ও গোলাম মোস্তফার সহায়তায় বাল্য বিয়ে সম্পন্ন করে।
তাই তার অপসারন দাবীতে নারী নেত্রী নেটওয়ার্কের সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
অপরদিকে নলছিটির দুধারিয়া গ্রামের রহিম খানের মেয়ে কিশোরী কন্যার বিয়ে ছিলো রোববার। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৌমিতা নাজনীন এই খবর জানতে পেরে দুইজন, ইউপি সদস্য মোঃ ফজলুর রহমান ও নারী সদস্য রাহিমাকে নিয়ে বিয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। বাল্য বিয়ের অপরাধ আইন সম্পর্কে অবহিত করেন। কিশোরীর বাবা এ আইন সম্পর্কে জানেন না ও ভবিষ্যতে আর বাল্য বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন।