শেবাচিম হাসপাতাল দালালমুক্ত রাখতে কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ দালাল মুক্ত হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন এবং চিকিৎসকদের স্বার্থ আদায়ে গঠন করা হয়েছে মিড লেভেল ডক্টর্স এ্যাসোসিয়েশন। গতকাল বুধবার থেকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ পেয়েছে। নব গঠিত এই কমিটিতে হাসপাতালের সার্জারী বর্হিঃবিভাগের আবাসীক মেডিকেল অফিসার (আরএস) ডা. দীপক চন্দ্র কীর্তনিয়াকে আহ্বায়ক এবং আন্তঃবিভাগের সার্জারী ইউনিট-২ এর সহকারী রেজিষ্ট্রার ডা. এস.এম রমিজ আহম্মেদকে সদস্য সচিব মনোনিত করা হয়েছে। ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন ডা. অপুর্ব কুমার চৌধুরী, ডা. সুদীপ কুমার হালদার, ডা. মোখলেছুর রহমান খান, ডা. শেখ শাহ আলম, ডা. নুরুন্নবি তুহিন, ডা. ছালাহ আল-দিন-বিন নাসের, ডা. শাহনাজ পারভিন, ডা. শামীম আহম্মেদ, ডা. সুব্রত পাল।
সদস্য হিসেবে রয়েছেন- ডা. একেএম আরিফুর রহমান, ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জামান, ডা. ফাইজুল হক পনির, ডা. আশিক দত্ত, ডা. আশিকুর রহমান, ডা. শেখ শহিদুর রহমান, ডা. শামীম পারভেজ, ডা. মাহামুদুল হাসান পলাশ, ডা. তাপস মন্ডল, ডা. বর্নালী দেবনাথ, ডা. শিরিন সাবিহা তন্নি, ডা. তুষার বিন্দু হালদার, ডা. দাস রনবির, ডা. এসএম মাইদুল ইসলাম, ডা. ইফতেখার সাগর, ডা. নাজাম-ইস-সাকিব, ডা. মৌমিতা বোদ্দার, ডা. সবুজ কুমার পাত্র, ডা. বিবেক হালদার ও ডা. সুমন ধ্বর।
নব গঠিত কমিটির আহ্বায়ক ডা. দ্বীপক চন্দ্র কীর্তনিয়া এবং সদস্য সচিব ডা. এসএম রমিজ আহম্মেদ বলেন, চিকিৎসকদের বিভিন্ন শ্রেনীর পেশাজীবী সংগঠন রয়েছে। কিন্তু ছিলোনা মধ্যবর্তী পর্যায়ের চিকিৎসকদের সংগঠন। তাই তাদের দাবী দাওয়া এমনকি অধিকার প্রতিষ্ঠা হতো না। তাই তারা মধ্যস্থানে থাকা চিকিৎসকদের নিয়ে গঠন করেছেন মিড লেভেল ডক্টর্স এ্যাসোসিয়েশন।
তারা বলেন, এ সংগঠনের মাধ্যমে হাসপাতালে কাজের পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, হাসাপাতাল ও কালেজের অফিসে অহেতুক হয়রানী ও কর্মচারীদের ঘুষ বানিজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ও আবাসীক মেডিকেল অফিসারদের আনা নেয়ার জন্য এম্বুলেন্স অথবা মাইক্রোবাসের ব্যবস্থা করা, প্রতিটি বিভাগের সাথে লাইব্রেরী স্থাপন, ট্রেনিং চিকিৎসকদের জন্য ফ্রি আবাসন ব্যবস্থা, ডরমেটরির ব্যবস্থা, চিকিৎসক লাঞ্ছনা ও হয়রানীর প্রতিকার, স্বাস্থ্য ক্যাডারদের বৈষম্য দূরীকরন, হাসপাতালে বহিরাগত, দালাল ও প্রতারক চক্রকে প্রতিহত করা, ডাক্তারদের জন্য হাসপাতালে সংরক্ষিত কেবিন এর ব্যবস্থা, ডাক্তারদের নিজস্ব ক্যান্টিন ও ডক্টর্স ক্লাবের উন্নয়ন, বিপদগ্রস্ত এবং অসুস্থ চিকিৎসকদের সহায়তা করা ও চিকিৎসকদের চারিত্রিক বৈশিষ্টের উন্নয়ন এবং অসাধু চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা সহ বিভিন্ন লক্ষ নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব।