শেবাচিমে পুলিশ পেটানোয় জড়িতদের জিজ্ঞাসাবাদ আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশে পেটানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ সোমবার তদন্ত কমিটি ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
এদিকে পুলিশের উপরে হামলার ঘটনার প্রকৃত দোষিদের বাদ দিয়ে নির্দোষিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে সাধারন কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্রমতে, তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সম্প্রতি বরিশাল পুলিশ লাইনস এর নায়েক আবু হানিফ এর সাথে শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেনী কর্মচারী কল্যান সমিতির বিতর্কিত সহ-সভাপতি আয়ুব আলী খান এর হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার জের ধরে নায়েক আবু হানিফকে অটোরিক্সা থেকে নামিয়ে তাকে ব্যাপক মারধর করে আয়ুব আলী ও তার সহযোগিরা।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পরিচালক এর কাছে অভিযোগ দেন মারধরের শিকার নায়েক আবু হানিফ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসপাতাল পরিচালক তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। ৭ দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে পুলিশের নায়েক আবু হানিফকে মারধরের ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মচারীরা। তারা জানান, ঐদিন ঘটনার সাথে যারা জড়িত ছিলেন তাদের বাদ দিয়ে মামলায় আসামী করা হয়েছে। কর্মচারীরা অভিযোগ করে বলেন, আয়ুব আলীর নেতৃত্বে জোমাদ্দার রত্তন খাঁ, তার ছেলে বেসরকারী এম্বুলেন্স চালক আবেদ আলী সহ বেশ কয়েকজন এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। যার প্রমান হাসপাতালের সিসি ক্যামেরায় রেকর্ড রয়েছে। কিন্তু ঐ সব হামলাকারীদের বাদ দিয়ে কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোদাচ্ছের আলী কবির এবং আব্দুল মজিদ সহ অন্যান্যদের জড়ানো হয়েছে। ঘটনার সময় এরা ঐ স্থানে উপস্থিত ছিলো না বলেও দাবী করা হয়েছে। হাসপাতালের তদন্ত কমিটির মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান দোষীদের চিহ্নিত করার জন্য অনুরোধ জানান কর্মচারীরা। অন্যথায় এ নিয়ে আন্দোলনে যাবে বলেও হুমকি দিয়েছে সাধারন কর্মচারীরা।