শেবাচিমের নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আবাসিক হোটেলের পোয়াবারো

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নগরীতে আবাসীক হোটেলে সিটের ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। একটি সিটের আশায় নগর চষে বেড়ালেও বোর্ডাররা কোথাও পাচ্ছেনা খালি হোটেলের সন্ধ্যান। কেননা আজ বরিশাল শের-ইব-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র গত তিন দিন আগে থেকেই হোটেল গুলো ভাড়া হয়ে গেছে।
এদিকে আজ শেবাচিম হাসপাতালের কর্মচারী নিয়োগের প্রথম পর্বের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে এক ঘন্টা মেডিকেল কলেজ সহ ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে ৯ হাজার ৩৬৫ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহন করবে নিয়োগ কমিটি। ইতোমধ্যে আসন বিন্যাস সহ সকল আয়োজন সম্পন্ন করেছেন তারা।
শেবাচিম হাসপাতালের তৃতীয় ও চাতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগ কার্যকর কমিটির সভাপতি ও পরিচালক ডা. মু. কামরুল হাসান সেলিম জানান, আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় নগরীর ৭টি স্কুলে চতুর্থ শ্রেনীতে চাকুরীর জন্য আবেদনকৃত পরীক্ষার্থীদের নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহন করা হবে। এর মধ্যে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে গাড়ি চালক, ইলেকট্রিক, লিফটম্যান, মেকানিক, ওয়ার্ডবয়, সিকিউরিটি গার্ড, বাবুর্চী এবং কিছু সংখক অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) পদে আবেদনকারীদের পরিক্ষা গ্রহন করা হবে। এই কেন্দ্রটিতে ৪০৮ থেকে ৭৭৪ নং ও ২০৬৬ থেকে ২৫৬৫ নং রোল নম্বরের সর্বমোট ৯৬৭ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহন করা হবে।
এছাড়া মেডিকেল কলেজের পার্শ্ববর্তী ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) কেন্দ্রে অফিস সহায়ক পদের (রোল নম্বর ৩৯৬৬ থেকে ৫৯৬৫ পর্যন্ত) ১৩শ, বান্দ রোডে মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে (রোল নম্বর ৫৯৬৬ থেকে ৭১৬৫ পর্যন্ত) ২ হাজার, সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ কেন্দ্রে (রোল নম্বর ৭১৬৬ থেকে ৮০৬৫ পর্যন্ত) ১ হাজার ২শ, বরিশাল জিলা স্কুল কেন্দ্রে (রোল নম্বর ৮০৬৬ থেকে ৯২৬৫ পর্যন্ত) ৯শ, সরকারী বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে (রোল নম্বর ৯২৬৬ থেকে ১১০৬৩ পর্যন্ত) ১ হাজার ২শ ও বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে বাকি ১ হাজার ৭শ ৯৮ জন পরীক্ষার্থীর আসন বিন্যাস করা হয়েছে।
এদিকে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দূর দুরন্তের সকল পরীক্ষার্থীরাই বরিশাল নগরীতে পৌছে গেছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের নিকট আত্মিয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিলেও বেশিরভাগের আশ্রয় মিলেছে নগরীর হোটেলগুলোতে। যে কারনে হোটেল গুলোর কদর বেড়েছে কয়েক গুন। বিশেষ করে শেবাচিম হাসপাতালের সামনে ৬টি আবাসীক হোটেল ছাড়াও সদর রোড এবং আশপাশের এলাকার হোটেলগুলোও ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। যার ফলে অনেক পরীক্ষার্থীরা আশ্রয় নিয়েছে হাসপাতাল এবং মসজিদে। আজ পরীক্ষার দিন পর্যন্ত কোন প্রকার রুম পাওয়া সম্ভব হবে না বলেও জানান বিভিন্ন হোটেল মালিকরা।