শিক্ষার উন্নয়নে মহাত্মা অশ্বীনি কুমার দত্তের পর অমৃত লাল দের অবদান

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল জেলায় শিক্ষার উন্নয়নে মহাত্মা অশ্বীনি কুমার দত্তের পর অমৃত লাল দের অবদান বলে মন্তব্য করেছেন নগরীর বিশিষ্টজনরা। গতকাল রোববার দানবীর অমৃত লাল দের ২২তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণানুষ্ঠানে বক্তৃতায় এই মন্তব্য করেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরীর অশ্বিনী কুমার হলে অমৃত লাল দে স্মরণানুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের আয়োজনে স্মরনানুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, অমৃত লাল দে তার মানব সেবার গুনাগুন পরিবারের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সেবা করার কাজ করে যাচ্ছে অমৃত পরিবার। আহবায়ক নিখিল সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাখাল চন্দ্র দে ও বিজয় কৃষ্ণ দে। এছাড়াও স্মরণানুষ্ঠানের আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এ্যাড. মানবেন্দ্র বটব্যাল, এ্যাডঃ এসএম ইকবাল। স্মরণানুষ্ঠানে অমৃত লাল দে’র জীবনাদর্শ সম্পর্কে বক্তব্য দেয় হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ সম ইমানুল হাকিম, শিক্ষাবোর্ড সচিব আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, মানবাধিকার জোটের সভাপতি হাবিবুর রহমান, শিশু সংগঠক জীবন কৃষ্ণ দে, নাট্যজন সৈয়দ দুলাল, ব্যবসায়ী মৃণাল কান্তি সাহা, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শান্তি দাস, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পংকজ রায় চৌধুরী, অমৃত লাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ তপংকর চক্রবর্তী, আইসিডি এর নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার জাহিদ প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুকুল সেন, ভানু লাল দে, দেবাশীষ চক্রবর্তী প্রমুখ। স্মরণানুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ৫৫টি স্কুল ব্যাগ প্রদান করা হয়। এছাড়াও মাতৃছায়া শিশু কানন প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ২০টি স্কুল ব্যাগ দেয়া হয়। অন্যদিকে অপরাজেয় বাংলাদেশের পথ শিশুদের জন্য টিশার্ট বিতরণ করা হয়। এছাড়াও অমৃত লাল দে ২২ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৪২ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।