শিক্ষার্থী আক্রান্ত অজ্ঞাত রোগ সনাক্তে গৌরনদীতে বৈজ্ঞানিক দল

গৌরনদী  প্রতিবেদক॥ গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ায় উপজেলার শিক্ষার্থী আক্রান্ত “অজ্ঞাত রোগ” চিহিৃত করতে রোগীদের রক্তের নমুনাসহ যাবতীয় উপসর্গের তথ্য সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ সদস্যের একটি  তদন্ত দল। এই দুই উপ জেলায় গত ৪ দিনে ৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ওই সকল বিদ্যালয়ে বর্তমানে চলছে অজ্ঞাত রোগ আতংকের অয়োষিত ছুটি বলে জানিয়েছেন প্রদান শিক্ষকরা।
গত ৪ দিনে গৌরনদী উপজেলার গৌরনদী পৌর সদরে আল হেলাল একাডেমী, পিংলাকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পালরদী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, গেরাকুল আকতারুন নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আল হেলাল দাখিল মাদ্রাসা, কাসেমাবাদ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা এবং আগেলঝাড়া উপজেলার মোল্লাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়।
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার সেকেন্দার আলী জানান, হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী  ১১০ শিক্ষার্থী রোগী ভর্তি হয়। এর মধ্যে ৬৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
মো. মোসলেম উদ্দিন জানান, চিকিৎসাধীন একজন রোগী কান্না শুরু করলে সাথে সাথে হাসপাতালে ভর্তি সকল রোগী কান্না শুরু করে দেয়। এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাদের কপালে চাপ দিলে ও নাকে পাইপ দিলে জ্ঞান ফিরে আসে। সাইকোজেনিক ম্যাস ইলনেস রোগে আক্রান্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি অভিভাবকদের আতংকিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
তদন্তকারী দলের টিম লিডার আইইডিসি আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী ঢাকার উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. দিলরুবা সুলতানা জানান, রোগ সম্পর্কে এখনোই সঠিকভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা রোগীদের সাথে কথা বলছি, রোগীদের রক্তের নমুনাসহ যাবতীয় উপসর্গ নেয়া হয়েছে।
পিংলাকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসহুরা বেগম, আল হেলাল একামেীর প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালামসহ প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা জানান, আতংকের কারনে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসা ছেড়ে দিয়েছে। তাই বিদ্যালয়ে চলছে অয়োষিত ছুটি।