শিক্ষক দম্পতির কাছে বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট জিম্মি

পরিবর্তনডেক্স॥ পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষক দম্পত্তির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোচিং বানিজ্য করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই শিক্ষক দম্পত্তি হলেন- ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের মো. শমসের আলী ও  তার স্ত্রী আরএস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সামসুর নাহার। শুধু শিক্ষার্থী নয়, পলিটেকনিকের কার্যক্রমকে জিম্মি করে গড়ে তুলেছে অবৈধ সম্পদের পাহাড়।
একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষক শমসের আলীর কাছে প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়। তাই সামর্থ্য না থাকলেও  বাধ্য হয়ে প্রাইভেট পড়তে হয়। গত সেমিস্টারে মাত্র ৩-৪ দিন ক্লাস নিয়ে পুরো মাসের ১ হাজার ২০০ টাকা করে নিয়েছেন ওই শিক্ষক। তিনি কলেজে নিয়মিত আসে না। তবে নিয়মিত নিকট আতœীয়ের কোয়ান্টাম একাডেমি নামের একটি কোচিং সেন্টারে ক্লাস নেন। এ কোচিং সেন্টারে টাকার চুক্তিতে পলিটেকনিক কলেজ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বেসরকারী পলিটেকনিক কলেজে ভর্তির নিশ্চয়তা দেন তিনি। ভর্তির চুক্তিতে এ বছরেও প্রায় ২০/২২ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন তিনি। এই শিক্ষক পটুয়াখালী পলিটেকনিকে কর্মরতকালীন ভুয়া বিলে ৭ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা আতœসাৎ করায় শাস্তির মুখে পড়েছেন। সেখান থেকে এসে বরিশাল পলিটেকনিকে দুর্নীতি অব্যাহত রেখেছেন। আর তার এই দুর্নীতির সাথে সকল ধরনের সহযোগিতা করেন স্ত্রী সামসুর নাহার। তিনি গনিত, ইংরেজী ও পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ে পাশ করিয়ে দেয়ার জন্য জন প্রতি ১ হাজার করে টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে একাধিক শিক্ষার্থী । এ শিক্ষকেরা স্থানীয় হওয়ায় ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ করেন না। তাই তাদের ইচ্ছেমত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটকে জিম্মি করে নিয়ন্ত্রন করছেন।
এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেন শিক্ষক মো. সমসের আলী। তিনি বলেন, একটি দুষ্ট চক্র মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।