লালমোহনে টিউবওয়েল দেয়ার প্রলোভনে বিএনপির নেতার পকেটে অর্ধ লক্ষ টাকা

লালমোহন প্রতিবেদক॥ লালমোহনে টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে অর্ধ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। উপজেলার সদর লালমোহন ইউনিয়নের বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক বশির পন্ডিত তার এলাকার বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে এ টাকা হাতিয়ে নেয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদর লালমোহন ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের দেওয়ান বাড়ির কামাল দেওয়ানকে টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে ১২ হাজার টাকা চায়। বশির পন্ডিতের এক আত্মীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগে চাকরী করে এ পরিচয় দিয়ে তিনি টিউবওয়েল দিবে বলে টাকা দাবী করেন। পরে কামাল দেওয়ান ১০ হাজার টাকা দেন বশির পন্ডিতকে। অপরদিকে একই ওয়ার্ডের ফুলবাগিছা দক্ষিণ রাস্তার মাথা এলাকার কামাল খলিফা ও জামাল খলিফা দুই ভাইকেও টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে ১১ হাজার টাকা নেয় প্রায় ১ বছর আগে। পরে টিউবওয়েল দিতে না পেরে চাপের মুখে ৮ হাজার টাকা ফেরত দিলেও এখনো ৩ হাজার টাকা পাওনা আছে বলে কামাল খলিফা জানান। ফুলবাগিছা বাজারের সেলুন দোকানদার সুজনের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা নেয়। তাকেও ১০ হাজার টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়। বাকী টাকা এখনো দেয়নি।
জানা গেছে, বশির পন্ডিত টিউবওয়েল ছাড়াও পল্লী বিদ্যুতের এক ঠিকাদারকে লাইসেন্স করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নেয়। অপরদিকে বশির পন্ডিত তার আপন ভাইকেও ছাড়েনি। তার আপন ভাই আশরাফ পন্ডিতের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরী ওয়েটিং লিস্টে থাকে। এ সুয়োগে বরিশাল কোন অফিসে ম্যানেজ করে চাকরী পাকা করার কথা বলে দেড় লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেয় ছোট ভাইকে।
বশির পন্ডিতের এসব ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। তার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে বশির পন্ডিত জানান, আমি এলাকার বাইরে রয়েছি। এলাকায় আসলে প্রত্যেকের কাছে নিয়ে দেখাবো কেউ আমার কাছে টাকা পাবে কিনা।