লালমোহনে কিশোরীকে লঞ্চে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা

লালমোহন প্রতিবেদক॥ লালমোহনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকা নেওয়ার পথে লঞ্চে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এক কিশোরীকে। ওই কিশোরীর ডাক চিৎকারে লঞ্চ স্টাফরা তাকে উদ্ধার করে ২ লম্পট কিশোরীর দুঃসম্পর্কীয় মামা শাহে আলম ও মাছ ব্যবসায়ী অপর শাহে আলমকে আটক করে। গত ১৪ অক্টোবর লালমোহন ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর নৌ-পথে এমভি মানিক-৯ লঞ্চে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, লালমোহন চরভূতা ইউনিয়নের বাংলাবাজার সংলগ্ন হনুমান বাড়ির দিনমজুর ছিদ্দিকের ছোট মেয়েকে (১৩) কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তার চাচাতো মামা শাহে আলম (পিতা মোস্তফা মিয়া) ও মাছ ব্যবসায়ী শাহে আলম (পিতা আবুল হাশেম খন্দকার) ১৪ অক্টোবর ঢাকা রওয়ানা হয়। পরে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার পর রাতে লঞ্চের কেবিনে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় তারা। কিশোরীর ডাক চিৎকারে লঞ্চ স্টাফরা এগিয়ে এসে দুই লম্পটকে আটক করে। পরদিন লঞ্চ ঢাকা ঘাটে যাওয়ার পর কিশোরীকে ঢাকা যার বাসায় কাজে দেওয়ার কথা ছিল তাকে ডেকে এনে তার কাছে স্পোর্দ করে। খবর পেয়ে কিশোরীর বাবা ছিদ্দিক ঢাকা গিয়ে তার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় দুই লম্পটের বিরুদ্ধে কিশোরীর বাবা এলাকার মেম্বার জাহাঙ্গীরের কাছে বিচার দিলেও তিনি কোন বিচার না করে সময় ক্ষেপন করছেন।
এ ব্যাপারে ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর জানান, কিশোরীর বাবা আমার কাছে বিচার দিয়েছে। তবে অভিযুক্তরা এলাকায় না থাকায় বিচার করা যাচ্ছে না।
এদিকে এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে কিশোরীর পরিবারকে অর্থের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কিশারী ও তার বাবা। তারা ঘটনার বিচার দাবী করেন। লম্পট মাছ ব্যবসায়ী শাহে আলম এর পূর্বে এলাকায় এক মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে ভোলা কোর্টে একটি মামলা হয়। মামলা নং- ৫০৩। ওই মামলায় সে কারাবরণও করে।