লঞ্চ বন্ধে বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ঘূর্নিঝড় কোমেনের কারনে বরিশাল-ঢাকা রুটের লঞ্চ বন্ধ থাকায় পোয়া বারো দূরপাল্লার বাস মালিকদের। গতকাল বৃহস্পতিবার নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে ঢাকাগামী যাত্রীদের ছিলো উপচে পড়া ভীড়। বাসের একটি টিকিটের জন্য হাহাকার রব উঠে। টিকিট পেতে ব্যর্থ যাত্রীরা বাসে দাড়িয়ে যেতে বা একটু বসার স্থান পেতেও মরিয়া ছিলো। তবে এ অবস্থার অবসান আজ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি আজ লঞ্চ চলাচল করবে। একইভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা।
শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বৈরি আবহাওয়ার কারনে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলেও বাস চলাচল করেছে। এই কারনে সন্ধ্যার পর থেকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে লঞ্চ যাত্রীদের ভীড় বাড়তে শুরু করে। এক পর্যায়ে লঞ্চে ঢাকা যেতে ব্যর্থ যাত্রীদের ভীড় টার্মিনালে উপচে পড়ে। স্বাভাবিকভাবে বাসে যাত্রীদের সাথে সাথে লঞ্চ যাত্রীদের আগমনে টিকিট সোনার হরিন হয়।
যাত্রীরা টিকিটের জন্য প্রয়োজনে বেশি দাম দিতেও প্রস্তুত ছিলো।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে অনেক যাত্রী কালোবাজারীতে বেশি দামে টিকিট সংগ্রহ করেছে। বাসে সিট না পেয়ে একই দামে ইঞ্জিন কভারে যাওয়ার জন্য সুপারভাইজার ও চালক সহকারীদের দ্বারস্থ হয়েছে। নির্ধারিত যাত্রীদের চেয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে।
বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আবুল বাশার মজুমদার বলেন, সতর্ক সংকেত দুই নম্বরে নেমে এলেও লঞ্চ ছাড়া হয়নি। আবহাওয়া আজ স্বাভাবিক হলে লঞ্চ ছাড়া হবে।
তিনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার ৬ টি লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিলো। একইভাবে ঢাকা থেকে ৬ লঞ্চ ছেড়ে আসার কথা ছিলো। কিন্তু ঘূর্নিঝড় কোমেনের প্রভাবে বৈরি আবহাওয়ার কারনে কোন লঞ্চ ছাড়া হয়নি।