র‌্যাব-পুলিশ দপ্তরের মধ্যে বাইরে গুছ পার্টির বাঁধা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ র‌্যাব-পুলিশ মোতায়েন থাকলেও টেন্ডারবাজদের সন্ত্রাসী কর্ম প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর নির্মাণাধীন দুই সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের সাড়ে ৮ কোটি টাকার দরপত্র জমা দিতে বাধা দেয়া হয়েছে। র‌্যাব-পুলিশ দপ্তরের মধ্যে মোতায়েন থাকলেও টেন্ডারবাজরা সামনে অবস্থান নিয়ে কাউকে সিডিউল জমা দিতে দেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সহকারি প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম জানান, গত ১০ মার্চ বরিশাল সরকারি কাউনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি রুপাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের সোয়া ৪ কোটি করে সাড়ে ৮ কোটি টাকার দুইটি দরপত্র আহ্বান করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩১টি সিডিউল বিক্রি হয়। মঙ্গলবার দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। তাই সকাল থেকেই বিপুল পরিমানের র‌্যাব-পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়।
ঠিকাদাররা জানিয়েছেন, লায়লা বিল্ডার্স ও জিএম কন্সট্রাকশনকে কাজ গুছ করে দিতে সক্রিয় হয় মহানগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ ও সাবেক আহবায়ক নেতার নেতৃত্বে ২০/২৫ জন ক্যাডার।
তারা শিক্ষা নিবার্হী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের মধ্যে র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা থাকলেও আশপাশের রোডে অবস্থান নেয়এবং সাধারণ ঠিকাদারদের সিডিউল জমাদানে বাধাঁ দেয়।
মহানগর ছাত্রলীগের কথিত কমিটির এক নেতা জানান, কোন ঠিকাদারকে সিডিউল জমাদানে বাধা দেয়া হয়নি। তাই তারা ব্যর্থ হলেও সাবেক নেতা কাউনিয়া স্কুলের কাজ লায়লা বিল্ডার্সকে গুছ করে দিয়েছে।
ছাত্রলীগের মহানগরের নেতা জানান, তিনি কোন টেন্ডারের মধ্যে নেই। তবে কেউ কেউ কাজ গুছ করেছে বলে জানিয়েছেন।