“রাখে আল্লাহ মারে কে”

ওয়াহিদ রাসেল॥ শিশুর মধ্যে যে ¯্রষ্টা বিরাজ করে তারই প্রমাণ মিলেছে মহাসড়কের এক বাস দুর্ঘটনায়। শুক্রবার রাতের সড়ক দুর্ঘটনায় যাত্রী সহ বাস উল্টে ১ জন নিহত ও সকল যাত্রী কম বেশি আহত হলেও অক্ষত অবস্থায় রয়েছে দেড় বছরের এক শিশু। জুনায়েদ নামের শিশুটি তালতলী পাঞ্জাকোড়ালিয়া হালিপাড়া গ্রামের মঈন হাওলাদারের সন্তান।
শিশুটির মা রেশমা বেগম জানায়, তিনি তার শিশু জুনায়েদকে নিয়ে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে আমতলী থেকে বাসে ওঠেন। গ্রামীন পরিবহনের বাসটির চালক শুরু থেকেই দ্রুত গতিতে চালিয়ে আসেন। বরগুনা থেকে ছেড়ে আসা গ্রামীন পরিবহনের বাসটি রাত সাড়ে ১০টায় ইউনিক ফিলিং স্টেশন এলাকায় গিয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলে। এ সময় বাসটি উল্টে যায়। এতে কম বেশি সবাই আহত হলেও জুনায়েদ ছিল সম্পূর্ণ নিরাপদ। আল্লাহর অসীম কৃপায় ও বাহুডোরে আবদ্ধ থাকায় জুনায়েদের শরীরে একটু আচড় পর্যন্ত লাগেনি। কোলেই ঘুমিয়েছিল শিশুটি। বাসটি উল্টে যাওয়ায় কিছুক্ষণ পরে উদ্ধার কাজ শুরু হয়।
স্থানীয় কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি বাসের জানালার গ্লাস ভেঙে শিশুসহ তার মা রেশমাকে উদ্ধার করে। এ সময় শিশুটিকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাওয়া গেলে সবাই মনে করে জুনায়েদের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সবার ভাবনা চিন্তাকে ভুল প্রমাণ করে ঘুম ভেঙে কেঁদে ওঠে জুনায়েদ। এর জন্যই বলা হয় “রাখে আল্লাহ মারে কে”। তিনি যাকে বাঁচিয়ে রাখতে চান তাকে কেউ শেষ করতে পারে না।