যুবলীগের মহানগর শাখার আওতায় চার থানা অন্তর্ভূক্ত

রুবেল খান ॥ দলীয় কার্যক্রমে নিস্ক্রিয় মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক এলাকার আয়তন বৃদ্ধি পেয়েছে। মহানগরীর ৪টি প্রশাসনিক থানাকে সাংগঠনিক থানা হিসেবে গ্রহন করে এই চারটি থানাকে মহানগর শাখায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এ সীমানা বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তবে ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর বরিশালের চারটি থানা এলাকা মহানগরের আয়ত্বে আনার বিষয়টি অনুমোদন করা হলেও গতকাল শনিবার বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে।
আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বরিশাল মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে নেতৃবৃন্দের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সিন্ধান্তক্রমে বরিশাল মহানগরীর আওতাধিন কোতয়ালী মডেল থানা, কাউনিয়া থানা, বিমানবন্দর থানা এবং বন্দর থানাকে দলীয় সাংগঠনিক থানা হিসেবে মহানগর যুবলীগ শাখার আওতায় অন্তর্ভূক্ত করা হলো।
বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. নিজামুল ইসলাম নিজাম ও যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. মেজবাহ উদ্দিন জুয়েল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নোটিশে উল্লেখিত বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে মহানগর যুবলীগকে গতিশীল এবং সংগঠিত করতে সীমানা বৃদ্ধি করা হলেও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রের নির্দেশ কতটুকু রক্ষা করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কমিটির তৃনমুল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তারা বলেন, পূর্বে শুধু মাত্র ৩০টি ওয়ার্ড নিয়ে মহানগর যুবলীগের আয়োতন ছিলো। এই ৩০টি ওয়ার্ড পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি। বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক মো. নিজামুল ইসলাম নিজাম এই কমিটিকে তার পকেট কমিটি হিসেবে ব্যবহার করছেন। যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে মহানগর নেতা-কর্মীদের সংগঠিত করতে পারেনি। যে কারনে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনে ব্যর্থ আহ্বায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমের দিক থেকে একেবারে নিস্কৃয় বললেই চলে। তার মধ্যে আবার শাখা কমিটির আয়োতন বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। তৃনমুলের দাবী নতুন কমিটি গঠন না হলে আয়োতন বৃদ্ধি করে বরিশাল মহানগর যুবলীগকে সংগঠিত করা সম্ভব হবে না।