মীরগঞ্জ ফেরীঘাটের ইজারাদারদের খামখেয়ালীতে ভোগান্তিতে বরযাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ মুলাদী-বাবুগঞ্জ রুটের মীরগঞ্জ ফেরীর ইজারাদার কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালীর কারণে ৫ ঘন্টা আটকে ছিলো বরযাত্রীবাহী যানবাহন। গতকাল বুধবার এই ঘটনার শিকার হয়েছেন কোটালীপাড়ার বালিয়াডাঙ্গাগামী বরযাত্রীরা।
হিজলা উপজেলায় যাওয়া জেলা প্রশাসক শহীদুল আলমকে পার করে দেয়া অজুহাত দিয়ে ভোগান্তিতে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন বরযাত্রী আজাদ রহমান। তিনি জানান, বিষয়টি যখন জেলা প্রশাসকের নজরে আনা হয়। তখন তিনি শুধু ক্ষোভ প্রকাশ করেননি। ভোগান্তিতে ফেলা ফেরী ইজারাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও কথা জানিয়েছেন।
আজাদ রহমান জানান, বালিয়াডাঙ্গা থেকে বরযাত্রীরা বধু আনতে হিজলা উপজেলা পশ্চিম কাউরিয়া এলাকায় যান। যাওয়ার সময় তাদের বহনকারী কার ও মাইক্রোবাসের ভাড়া হিসেবে ইজারাদাররা ৩ হাজার ৪০০ টাকা নেয়। নির্ধারিত’র চেয়ে কয়েকগুন বেশি ভাড়া নিয়েও তাদের আচরণ ছিলো ঔদ্ধত্যপূর্ণ। জিম্মি হয়ে পার হয়ে বধূ নিয়ে বিকেল ৫ টায় আবার ঘাটে আসেন তারা। কোনভাবেই ফেরী ইজারাদারদের নদী পার করে দিতে রাজি করতে পারেননি। জেলা প্রশাসক শহীদুল আলমের গাড়ী পার করতে হবে বলে সময়ক্ষেপন শুরু করে। তখন দেন দরবার শুরু করলে ফেরী ছাড়ার বিভিন্ন সময় দেয়। এক পর্যায়ে সকলে হাওয়া হয়ে যায়। তখন ফেরীর ইজারাদার বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মেননের ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল দেয়া হয়। কিন্তু সে কল রিসিভ করেননি। রাত ১০ টায় জেলা প্রশাসক এলে ফেরী ছাড়া হয়। তখন বিষয়টি তার নজরে আনা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন জেলা প্রশাসক শহীদুল আলম। তিনি বরযাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন “আমি মানুষের বিপদে এগিয়ে গিয়ে উদ্ধার করার চেষ্টা করি। আমার জন্য কেউ সমস্যায় পড়বে সেটা মেনে নেয়া যায় না। আর আপনারা হলেন আমার জেলার মেহমান। আপনাদের ভোগান্তিতে ফেলার কারণ তদন্ত করা হবে। যদি সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে তারা ব্যর্থ হয়। তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।”