মিয়ানমারে মুসলমানদের গণহত্যার প্রতিবাদে নগরীতে আল-কুরআন ফাউন্ডেশনের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্যাতন ও গণহত্যার প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে আল কুরআন ফাউন্ডেশন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে আড়াইটায় নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। আল কুরআন ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক মাওলানা মো. আবদুর রবের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন আল কুরআন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার। এসময় বক্তব্য রাখেন মাহমুদিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাও. ওবায়দুর রহমান মাহবুব, জামে এবায়দুল্লাহ মসজিদের খতিব মাও. মীর্জা নুরুর রহমান বেগ, জামে কসাই মসজিদের ঈমাম ও খতিব মাও. আব্দুল মান্নান, জামে বায়তুল মোকাররম মসজিদের ঈমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল কাদের, খাজা মাঈনুদ্দীন মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম মাও. গোলাম মোস্তফা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আলী হায়দার বাবুল, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মোঃ জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান খান ফারুক, এ্যাড. আকতার হোসেন মেবুল যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আকবর, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মীর জাহিদুল কবীর জাহিদ, আনোয়ারুল হক তারিন, আনোয়ার হোসেন লাবু, যুবদলের জেলা সাধারণ সম্পাদক সাহেদ আকন স¤্রাট, মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান রতন, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক খন্দকার আবুল হাসান লিমন, আরিফুর রহমান মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাহবুবুল ইসলাম পিন্টু সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। এসময় বক্তারা বলেন, মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশজুড়ে শাসকগোষ্ঠি মদদপুষ্ট বিভিন্ন বাহিনীর যৌথ অভিযানের নামে নিরস্ত্র, নীরিহ রোহিঙ্গা মুসলমান নাগরিকের উপর ভয়াবহ অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলছে। রোহিঙ্গা মুসলমান নিধন সহ রোহিঙ্গা মুসলমানদের দেশ ছাড়া করাই এ বর্বরতা অভিযানের মূল লক্ষ্য। তাই মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মুসলিম নিধন, গনহত্যা এবং জুলুম,অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। এছাড়াও জাতিসংঘকে অং সাং সুচির শান্তির নামে নোবেল পুরষ্কার প্রত্যাহার করতে হবে এবং তাদের সাথে বিশ্ব মুসলীমদের কুটনৈতিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। এসময় রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে সীমান্ত খুলে দিয়ে আশ্রয় দিতে বাংলাদেশের সরকারের প্রতি আহবান জানান। এছাড়াও বার্মার একমাত্র প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে রোহিঙ্গাদের সাহায্যের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানানো হয়। পাশাপাশি আহবান জানানো হয় সংসদে রোহিঙ্গাদের নির্যাতন বন্ধের প্রস্তাব উত্থাপন করে বিল পাশ করার। সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।