মাংসের মূল্য বাড়লে মসলার বাজার স্থিতিশীল

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কুরবানী ও শারদীয় দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে বেড়েছে মাংসের দাম। কিন্তু কমেছে কাচা মরিচ ও শসার মূল্য। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই স্থিতিশীল রয়েছে আদা সহ গরম মসলার দাম। গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানাগেছে,
নগরীর সাগরদী বাজারের মাংস ব্যবসায়ী ইউনুস জানান, গতকাল মাংসের দাম কিছুটা বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস তারা বিক্রি করেছে ২৭০ থেকে ২৯০টাকায় । তবে গত এক সপ্তাহ ধরে এর মূল্য ছিলো ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা। এর পাশাপাশি প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকায়। তবে গত সপ্তাহ জুড়ে খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ৪৫০ থেকে ৪৭০ টাকা দরে। কুরবানীকে সামনে রেখে হঠাৎ করেই গরু ও খাসির মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত থেকে গরু আমদানী কিছুটা কম থাকাই মূল্য বৃদ্ধির কারন বলে দাবী করেন মাংস ব্যবসায়ীরা। তবে ভারত থেকে গরু আমদানী বাড়লে গরুর মূল্য কুরবানীর আগেই কিছুটা কমতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন মাংস বিক্রিতারা।
এদিকে গত সপ্তাহের তুলনায় কাচা মরিচের মূল্য অনেকাংশে কম ছিলো। শুক্রবার বাজারগুলোতে প্রতি কেজি কাচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আর ভ্রাম্যমানভাবে এ মরিচ বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। গত সপ্তাহের প্রথম দিকে মরিচ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছিলো। তবে মাঝে এর মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছিলো। এছাড়া শসা বিক্রি হয়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০টাকায়।
অন্যদিকে কুরবানিকে পুঁজি করে এক শ্রেনীর ব্যবসায়ীরা মাংসের মূল্য বাড়িয়ে দিলেও স্থিতিশীল রয়েছে আদা সহ গরম মসলার দাম। নগরীর চৌমাথা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী আলি আক্কাস জানান, অনেক দিন ধরেই তারা আদা বিক্রি করে আসছেন  ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে। এছাড়া জিরা প্রকার ভেদে সর্বনি¤œ ২৫০ টাকা থেকে ৪০০টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য মসলার মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবী আপাতত এসব নিত্য প্রয়োজনিয় পণ্য দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির কোন কারন দেখা যাচ্ছে না। তবে কুরবানী এবং দুর্গা পূজাকে পূজি করে বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাইকারী বাজারে মসলার মূল্য বৃদ্ধি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকলে এর মূল্য বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেন ব্যবসায়ীরা।