ব্রাকের যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে সিভিল সার্জনের অসন্তোষ

বিশেষ প্রতিবেদক॥ যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রন ও প্রতিরোধে বেসরকারী সংস্থা ব্রাকের ডটস’র চিকিৎসা পদ্বতি এবং কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ ও শংকা প্রকাশ করেছেন সিভিল সার্জন ডা: এটিএম মিজানুর রহমান। বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস উপলক্ষে পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অশোন্তষের কথা জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা : এটিএম মিজানুর রহমান বলেন, ২০০৩ সালে বেসরকারী সংস্থা ব্রাক যক্ষ্মা প্রতিরোধে ডটস পদ্বতি শুরু করে। শুরুতেই প্রতি সপ্তাহে ৩ দিন রোগীকে ওষুধ সেবন করানো হতো। তাদের এ চিকিৎসা পদ্ধতি ভুল ছিলো তা বুঝতে পেরে এখন প্রতি সপ্তাহে ৭ দিনই যক্ষ্মা রোগীকে ওষুধ সেবন করানো হচ্ছে। পূর্বের ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে অনেক রোগীকে সমস্যায় পরতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া বরিশালে যক্ষ্মা প্রতিরোধে ব্রাকের বর্তমান কার্যক্রম সন্তোষ জনক নয় বলেও মন্তব্য করেন সিভিল সার্জন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বেসরকারী সংস্থা ব্রাক’র কর্মকর্তারা জানান, ২০১৪ সালে ২ হাজার ৯৭৩ জন রোগী যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে শিশু ছিলো ২৯ জন। আক্রান্ত রোগীর মধ্যে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে যক্ষ্মা রোগে আক্রাস্ত রোগীর মৃত্যুও হার কমছে বলেও জানান উপস্থিত কর্মকর্তারা। তবে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংবাদ কর্মিদের কাছে সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে আয়োজকরা। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বক্ষব্যাধি হাসপাতালে কনসান্টেন্ট ডা: মোখলেছুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জী, সহ-সভাপতি গোপাল সরকার, ব্রাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির বরিশাল বিভাগীয় ম্যানেজার শংকর মহাজন, ব্রাকের বরিশাল জেলা ম্যানেজার মানজেয়ারুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।