বোর্ডে জেএসসিতে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এ বছর মোট জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ৮ হাজার ৪৩১ হলেও গত বছর এর সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৭০ জন। সে অনুপাতে এ বছর ৭ হাজার ১৩৯ জন জিপিএ-৫ কম পেয়েছে।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮ বছরের জেএসসি’র ফলাফলের পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। তাতে দেখাগেছে ২০১০ সালে এক হাজার ৬১৮টি স্কুল থেকে ৬৯ হাজার ৮৪৭ জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে পাশ করে ৫৭ হাজার ১০২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ৪৭৮ জন। পাশের হার ৮১ দশমিক ৭৫ ভাগ।
২০১১ সালে এক হাজার ৬২৯টি স্কুল থেকে ৮২ হাজার ৯০৫ জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে পাশ করে ৭৭ হাজার ২১৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক হাজার ৮৮৬ জন। পাশের হার ৯৩ দশমিক ১৩ ভাগ।
২০১২ সালে এক হাজার ৬২০টি স্কুল থেকে ৮২ হাজার ১৮৬ জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে পাশ করে ৭৭ হাজার ৯৪ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ১৭২ জন। ২০১১ সালের তুলনায় ২০১২ সালে পাশের হার ছিলো বেশি। পাশের হার ৯৩ দশমিক ৮০ ভাগ।
২০১৩ সালে এক হাজার ৬২৬টি স্কুল থেকে ৮৫ হাজার ৬৭৫ জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে পাশ করে ৮২ হাজার ৭৬২ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ৭৬৩ জন। ২০১২ সালের তুলনায় ২০১৩ সালে পাশের হার ছিলো বেশি। পাশের হার ৯৬ দশমিক ৬০ ভাগ।
২০১৪ সালে এক হাজার ৬৩৮টি স্কুল থেকে ৯৬ হাজার ৪৬৮ জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে পাশ করে ৯৪ হাজার ৪৬৬ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পায় ১০ হাজার ২৮৫ জন। ২০১৩ সালের তুলনায় ২০১৪ সালে পাশের হার ছিলো বেশি। পাশের হার ছিলো ৯৭ দশমিক ৯২ ভাগ।
২০১৫ সালে এক হাজার ৬৮৩টি স্কুল থেকে এক লাখ ৬ হাজার ৮৫ জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে পাশ করে এক লাখ তিন হাজার ১৮১ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পায় ১৩ হাজার ৪৬৪ জন। ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে পাশের হার দশমিক ৬৬ ভাগ কম ছিলো। পাশের হার ছিলো ৯৭ দশমিক ২৬ ভাগ।
২০১৬ সালে এক হাজার ৭০১টি স্কুল থেকে এক লাখ ১৩ হাজার ৭৪৭ জন অংশগ্রহনকারীর মধ্যে পাশ করে এক লাখ ১০ হাজার ৭৭১ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পায় ১৫ হাজার ৫৭০ জন। ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে পাশের হার দশমিক ১২ ভাগ বৃদ্ধি পায়। ওই বছর পাশের হার ছিলো ৯৭ দশমিক ৩৮ ভাগ।
এ বছর পাশ এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারন হিসেবে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম বলেন, সৃজনশীলতার পাশাপাশি ইংরেজিতে ফলাফল একটু খারাপ হয়েছে। যে কারনে ফলাফল কিছুটা কমেছে। তবে এটাকে বিপর্যায় বলা যাবে না।