বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ দ্বিতীয় দিনের মত নগরীতে ঝরেছে স্বস্তির বৃষ্টি। গতকাল শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুষল ধারে বৃষ্টি ভিজিয়ে দিয়েছে নগরী সহ আশপাশের জেলা উপজেলার জনপথ। তবে দ্বিতীয় দিনের বৃষ্টিতে বজ্রপাতে গৃহবধূ ও দুই কৃষকসহ তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তারা হলো-মূলাদী পৌর এলাকার পাচারচর গ্রামের কৃষক মৃত হোসেন হাওলাদারের ছেলে ফজলু হাওলাদার (৫৫) ও ভা-ারিয়ার জমাদ্দার হাটের বলতলা গ্রামের মোশারফ আলী সরদারের স্ত্রী নাজমা বেগম (২৫) এবং উত্তর পৈকখালী গ্রামের আঃ লতিফ হাওলাদার (৬০)। এছাড়া এক স্কুল ছাত্রী আহত হয়েছে। তাকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়াও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারনে গতকাল শনিবার বেলা ১১টা থেকে অভ্যন্তরীন নৌ রুটে ছোট আকারের কোন নৌ যান চলাচল করেনি। বিশেষ সতর্কতার সাথে বরিশাল-ঢাকা রুটের নৌ-যান ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন নৌ বন্দর কর্তৃপক্ষ।
আবহাওয়া দপ্তরের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক মো. ইউসুব হোসেন জানান, শনিবার বৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে দমকা হাওয়া বয়ে গেছে। এর প্রভাবে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারনে বরিশাল নদী বন্দরগুলোতে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
তিনি জানান, গতকাল বরিশালে ৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টি এবং বাতাসের কারনে তাপমাত্রা পূর্বের থেকে কমতে শুরু করেছে। শনিবার দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বেলা ১২টার পূর্বে ৩২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরো দু’একদিন বৃষ্টি সহ বজ্র বৃষ্টি হওয়ার পূর্ভাবাসও রয়েছে বলে জানান তিনি।
নৌ নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আবুল বাশার মজুমদার জানান, ২ নম্বর সতর্ক সংকেতের কারনে বেলা ১১টা থেকে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে ৬৫ ফুটের কম দৈর্ঘ্যরে লঞ্চ বা নৌ যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সেই সাথে অভ্যন্তরীণ রুটের অন্যান্য লঞ্চ বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করে নদীপথে চলাচলের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।