বিভাগের ২৩ পৌরসভায় নির্বাচনী হাওয়ায় দুলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নির্বাচন কমিশন থেকে দলীয় প্রতীক নিয়েই স্থানীয় সরকার (পৌর) নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণার পরপরই দলীয় মনোনয়ন পেতে বরিশাল বিভাগের ২৩টি পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তৎপর হয়ে উঠেছে। দলীয় সমর্থন পেতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে তারা। এছাড়াও নিজেদের প্রার্থী হিসেবে প্রচার করতে নেতা কর্মীদের নিয়ে গণসংযোগেও নেমে পড়েছে প্রার্থীরা। আর এলাকার গন্যমান্য ও প্রভাবশালীদের কাছ থেকে সমর্থন পাওয়ার আর্শীবাদ নেয়া শুরু করেছে। এসব কর্মে ক্ষমতাসীন আ’লীগের নেতা প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। মামলা আর গ্রেপ্তারের আতংকে থাকা বিএনপিসহ জোটের অন্যতম শরীক জামায়াতের নেতারাও কৌশল নিয়ে প্রার্থীতা প্রচার ও গণসংযোগ করছে। তবে থেমে নেই জাতীয়পার্টি, ওয়াকার্স পার্টি, জাসদ ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের নেতারা। তারাও সামর্থ্য অনুযায়ী প্রার্থীতা ঘোষণা করে জনসংযোগ শুরু করেছে। রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন থেকে আগামী ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে এসকল পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ ঘোষণার আওতায় রয়েছে বিভাগের ৬টি জেলার ২৩টি পৌরসভা।
পৌরসভা হলো- গৌরনদী, মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ ও বানারীপাড়া, ঝালকাঠী ও নলছিটি, ভোলা, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন, পটুয়াখালী, গলাচিপা, বাউফল, কলাপাড়া, পিরোজপুর, মঠবাড়িয়া, স্বরূপকাঠী, বরগুনা, আমতলী, পাথরঘাটা ও বেতাগী পৌরসভা। এই ২৩ পৌরসভায় মেয়র পদে শতাধিক, কাউন্সিলর পদে সহস্রাধিক ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে প্রায় ৫ শতাধিক প্রার্থী মাঠে নেমেছেন।
এর মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন পেতে নিজেদের যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা প্রমাণে ব্যস্ত রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে প্রার্থীতা ঘোষণা করছেন। তবে বিএনপি ও শরিক জোটের নেতা প্রার্থীরা কৌশল নিয়ে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দলের নির্বাচনে অংশ নেয়া বা নেয়ার কোন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়ায় এবং মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয়ে নিজেদের যতটা সম্ভব আড়ালে রেখে কর্মী সমর্থকদের সাথে যোগাযোগ ও গণসংযোগ করছে বিএনপি ও তার শরীকদল।