বিবাদে জড়ানোর নিয়ম মেনেছে ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ কোন কর্মসুচীতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়া নিয়মে পরিনত করেছে। সেই নিয়ম গতকাল রোববারও পালন করেছে একাধিক গ্রুপে বিভক্ত এলোমেলো হয়ে থাকা এখানকার নেতা-কর্মীরা। ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবসের সভায়ও নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়েছে নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে ৬ দফা দিবসের আলোচনা সভায় আসা আ’লীগের নেতা-কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হবে না এমনটা হতেই পারে না। কারন একাধিক ভাগে বিভক্ত এলোমেলো মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মিদের মধ্যে বর্তমানে সাপে নেউলে সম্পর্ক। যে কোন কর্মসুচীতে বিবাদে জড়িয়ে তারা সেই বিষয়টির প্রমাণ দেয়। কখোনো তা ছোট কখনওবা বিশালাকার। সেখানে বিষয়টি তুচ্ছ কিনা তা গন্য করা হয় না। তেমন এক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে মেয়াদউত্তীর্ণ কর্ম পরিষদের ভিপি মঈন তুষার ও মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিনের অনুসারিরা হাতাহাতি করেছে। ঘটনার বিবরণ দিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভায় অংশ গ্রহনের জন্য সন্ধ্যায় জরো হয় কার্যালয় সম্মুখে। এ সময় মঈণ তুষার অনুসারী নূর আল আহাদ সাইদীকে চেয়ারে বসা নিয়ে ধাক্কা দেয় জসিম উদ্দিনের অনুসারী বরিশাল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আল মামুন। এ সময় উভয় গ্রুপে হাতাহাতি শুরু হয়। সেখানে উপস্থিত জ্যেষ্ঠ নেতারা এসে সমাধান করেন।
মহানগর আ’লীগের সম্পাদক এ্যাড. আফজালুল করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি জানেনই না বলে জানিয়েছেন। বলেন। আর এটা কোন ঝামেলা নয় হয়ত চেয়ারে বাসা নিয়ে ভিরের জন্য কিছুটা ধাক্কাধাক্কি হতে পারে বলে বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।