বাপ-বেটা এখন এলাকাবাসীর ‘বিষ ফোড়া’

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল নগর গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ শাখায় দির্ঘদিন কর্মরত কনস্টেবল মো. কবির হোসেন ও তার ছেলে শামীম হোসেনের ক্ষমতার দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কথায় কথায় গুলি করে মানুষের পা উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়ভাবে কবির পুলিশ নামে পরিচিত কবির হোসেনের বিরুদ্ধে। বাবার ক্ষমতরা বলে বলিয়ান ছেলে শামীম আরো বেপরোয়া। স্থানীয় মানুষকে তোয়াক্কাই করে না সে। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে এবং নগরীর চাঁদমারী মাদ্রাসা রোডে ভাড়া বসবাসের সুবাদে বাপ-বেটা কবির ও শামীম ‘বিষ ফোড়া’ হয়ে উঠেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। তাদের যন্ত্রনায় অতিস্ট হয়ে মেট্রো পুলিশ কমিশনারের কাছ লিখিত অভিযোগ করেছেন বান্দ রোডের ১নং মেডিকেল কলেজ গেট এলাকার বাসিন্দা সামসুল হক। গত ১৩ এপ্রিল দেয়া লিখিত অভিযোগে তিনি উলে¬খ করেন, কবির হোসেন পুলিশের ক্ষমতা দেখিয়ে বিভিন্নভাবে মানুষের উপর অন্যায়-অত্যাচার করছে। এলাকার যে কোন বিষয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষকে নাজেহাল করছে কনস্টেবল কবির ও তার ছেলে শামীম। বিরোধীয় জমির প্রতিপক্ষের ভাড়াটে হিসেবে এবং মাদক ব্যবসায়ীদের প্রচ্ছয় দেয়া সহ নগরীর চাঁদমারী, স্টেডিয়াম বস্তি, চরের বাড়ি মেডিকেল কলেজ গেট সহ আশপাশের এলাকায় অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে তাদের ছত্রছায়ায়। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে গত ২৩ মার্চ। মেডিকেলের ১ গেট এলাকায় পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমি মাপজোপরত সামসুল হকের কাজে প্রতিপক্ষের ভাড়াটে হয়ে বাঁধার সৃস্টি করে কবির হোসেন ও তার ছেলে শামীম। অহেতুক ঝামেলার সৃস্টি করে এক পর্যায়ে তারা তাকে লাঞ্চিত করে। এ সময় কনস্টেবল কবির তাকে (সামসু) গুলি করে পা উড়িয়ে দেয়া এবং মার্ডার হলেও তার বিরুদ্ধে মামলা হবেনা বলে ভয় দেখায়। কবির তার বিরুদ্ধাচারন করলে সামসুল হককে ভিটে মাটি থেকে উৎখাতের হুশিয়ারী দেয়। খবর পেয়ে স্থানীয় ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মজিবর রহমান সমস্যার সমাধান করতে গেলে তাকেও তারা হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উলে¬খ রয়েছে। এসব বিষয়ে দ্রুত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা না নিলে কনস্টেবল কবির হোসেন খুন জখমের মতো ঘটনা ঘটাতে পারে বলে অভিযোগে আশংকা করা হয়েছে।