বাকেরগঞ্জে বিবাহিত নেতাদের দিয়ে চলছে ছাত্রলীগের কার্যক্রম

শাখাওয়াত হোসেন মনির,বাকেরগঞ্জ ॥ বাকেরগঞ্জে বিবাহিত ছাত্রলীগ নেতাদের দিয়ে চলছে দিয়ে কার্যক্রম চলছে। জাতীয় নির্বাচনের পরে বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার ছত্র-ছায়ায় সাইফুল হোসেন ডাকুয়াকে সভাপতি, সৈয়দ আমিরুজ্জামান রিপনকে সাধারণ সম্পাদক ও খান আবুল কালামকে সাংগঠনিক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির অনুমতি দেয় জেলা কমিটি। ওই কমিটির ছাত্রলীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী বিবাহ করে রাজনীতিতে সময় না দিয়ে সংসারের সময় দিচ্ছে। এর ফলে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কঠোমে দিনদিন ভেঙ্গে পরছে। শুধু তাই নয় একাদশ নির্বাচনের আগেই নিজেদের মধ্যে শুরু হয়েছে ভাঙ্গা গড়ার খেলা। যে যার মত দল গুচাচ্ছে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শামসুল আলম চন্নু, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন ডাকুয়া অন্যদিকে সাবেক সংরক্ষিত এমপি পারভীন তালুকদার, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম, সাবেক এমপি মাসুদ রেজার সহধমীনি আয়রিন রেজা, অপরদিকে মেজর জেনারেল (অবঃ) হাফিজ মল্লিক আর জোট সরকারের দল জাতীয় পার্টি। এভাবে ৫ম ধারা রাজনীতিতে বাকেরগঞ্জের নেতা কর্মীদের হয়রানীর শিকার হতে হচ্ছে। এবিষয় আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন বলেন, আলাউদ্দিনের চেরাগের মত ঢাকা থেকে এসে মাঝে মধ্যে বাঁশিতে সুর দিয়ে আবার ঢাকায়, মাঠে থাকছে না কোন নেতা বাকেরগঞ্জের উন্নয়নও হচ্ছে না। ৯ম জাতীয় নির্বাচনে সকলে একত্রিত সাংগঠনিক কার্যক্রমে বিরোধী দলের নেতারা মাঠ ত্যাগ করে ঘরে বসে সরিষা গুনছে। এখন তা থাকছে না। যে যার মত করে গ্রুফ তৈরী করে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মাঠে নামছে। আওয়ামীলীগের বিভক্ত রাজনীতিতে দলীও নেতাকর্মীরা কে কাকে সমার্থন দিবে তা নিয়ে নেতাদের মধ্যে চলছে অন্তঃদন্দ। আওয়ামীলীগের গুটি কয়েক নেতা ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঠে পরিছন্ন ভাবে দেখা যায় না। তাই বিভিন্ন দলীও মিছিল মিটিংয়ে ছাত্রলীগের ভূমিকাই বেশি দেখা যায়। আর সেই ছাত্রলীগ সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সভাপতি যদি থাকে বিবাহিত ! তাহলে ছাত্রলীগের ভবিষৎ রাজনীতি কি হাল হবে, মূলদল আওয়ামীলীগ কিভাবে চলবে ? তা নিয়ে চলছে নেতাদের মধ্যে কানাঘুষা। ধীর গতিতে ঝিমিয়ে পরছে আওয়ামীলীগ আন্দোলন সংগ্রাম। দলীও সংঘাত থেকে রেহাই পেতে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা দলীও মিছিল, মিটিংয়ে আসা ছেড়ে দিয়েছে। রাজনীতিবিদরা মনে করেন, দলীও সংঘাত, গ্রফিং, সুবিধাবাধী নেতাদের আর্বিভাবের ফলে শক্তিশালী দল আওয়ামীলীগের আন্দোলন সংগ্রাম যেকোন সময় ধসে পরতে পারে।