বাকেরগঞ্জে কলেজ ছাত্রী ধর্ষণ জনপ্রতিনিধির অপমানে আত্মহত্যার চেষ্টা

বাকেরগঞ্জ প্রতিবেদক॥ বাকেরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারী ধর্ষিতা ছাত্রী ধর্ষকের পরিবার ও জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে অপমানিত হয়ে নিজের শরীরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আতœহত্যার চেষ্টা চালিয়েছে। তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে স্থানীয় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সদর রোডের প্রফেসর আলমের পুত্র মোঃ সানিম দীর্ঘ ২ বছর যাবত একই মহল্লার প্রবাসীর কন্যার সাথে প্রেম করে আসছিল। প্রেমের ছলে সানিম ওই কলেজ ছাত্রীকে দৈহিক মিলনের জন্য একাধিকবার প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি ছাত্রীর মা সানিমের পিতা প্রফেসর আলমকে জানিয়ে তার পুত্রকে বিরত রাখার জন্য অনুরোধ করেন। এতে বখাটে সানিম ক্ষিপ্ত হয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় কলেজ ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে সদর রোডে তার নিজ বাসার একটি কক্ষে তালাবদ্ধ রেখে ইচ্ছার বিরুদ্ধে দৈহিক মেলামেশা করে।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে প্রফেসর আলম তার পুত্র সানিমকে আত্মগোপনে নিয়ে যায়। ধর্ষিতার মা সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ করেন, ঘটনার পরে সানিমের পিতা আলম স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামাল সিকদার, তার নিকটাত্মীয় পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মশিউর রহমানের সহযোগিতায় ধর্ষিতা মেয়েকে মারপিট ও টানাহেচরা করে ঘর থেকে রাস্তায় নামিয়ে দেয়। ওই সময় মেয়ে ডাক-চিৎকার দিলে তিনিসহ স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে নিকটাত্মীয় সাবেক কাউন্সিলর রেকসনার বাড়ীতে রেখে আসে।
তিনি আরো জানান, বখাটে সানিম বিয়ের প্রলোভনে তার মেয়েকে ধর্ষণ করেছে এ ঘটনায় লজ্জায় ও ঘৃণায় অভিমানে ধারালো চাকু দিয়ে হাতের কব্জি কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করে তরুনী। এতে সে রক্তাক্ত জখম হলে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।