বাকেরগঞ্জের আ’লীগে নেতা হত্যার ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বাকেরগঞ্জ উপজেলার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতার হত্যাকান্ডের রহস্য নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার বড় ভাই ও ছেলে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতরা ঘটনাটি অন্যদিকে প্রবাহিত করে ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ করেছে তারা। পাশাপাশি প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। গতকাল বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটে নিহত ওয়ার্ড আ’লীগ নেতা আলতাফ হোসেন গাজীর বড় ভাই অবসর প্রাপ্ত বিডিআর সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ ওয়াহাব রাজা ও ছেলে সাইফুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে একথা তুলে ধরেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের মেয়ে আফরোজা সুলতানা, চাচা আবদুল কাদের গাজী সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সংবাদ সম্মেলনে তারা লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন ছাদের গাজীর দুই ছেলে বাড়ির অন্যদের না জানিয়ে আলতাফ হোসেন গাজীর মেজ ছেলে সাইফুল ইসলাম ও কাদের গাজীর মেজ ছেলে সাইফুল ইসলামকে নিয়ে নিজেদেরকে আড়াল করে থানায় মামলা করে। এছাড়া উল্লেখ করা হয় এজাহার ভুক্ত আসামীরা এবং ছাদের হোসেন গাজীর দুই ছেলে ও বড় ছেলের স্ত্রী আলতাফ হোসেন গাজীকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়। মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য গত ২০ অক্টোবর লিটন গাজী বাকেরগঞ্জ প্রেসক্লাবে পৌর মেয়রের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন করে। এ সময় তারা মামলাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে। সংবাদ সম্মেলনে তার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। এছাড়া উল্লেখ করা হয় লিটন গাজী আ’লীগের কলসকাঠির ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে আমাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয় আমার ছোট ভাই আলতাফ হোসেন গাজীকে গত ২৭ জুলাই রাতে আমাদের পাশের ঘর ছাদের হোসেন গাজীর ঘরে দাওয়াত খাওয়ার জন্যে আনোয়ার হোসেন খোকন গাজীর স্ত্রী শিরিন আক্তার ডাক দিলে তিনি তার মেয়ের সাথে মোবাইলে কথা বলতে বের হলে রাতে আর ঘরে ফিরে আসেনি। পরের দিন সকালে অর্থাৎ ২৮ জুলাই বাড়ির সামনের কালভার্টের পূর্বপাশে পানির মধ্যে ডুবন্ত লাশ পাওয়া যায়। লাশের গলায়, মাথার পিছনে, চোখের নিচে এবং পুরুষাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।