বর্তমানে নৌ দুর্ঘটনা বিগত দিনের চেয়ে অনেক কমেছে-নৌ-মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশে নৌ দুর্ঘটনা বিগত দিনের চেয়ে অনেক কমেছে বলে দাবি করেছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। শনিবার বরিশাল নৌ-বন্দর পরিদর্শণে এসে বিগত বছরগুলোর পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি এ দাবি করেন। শাজাহান খান বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির ক্ষমতার আমলে বছরে সর্বোচ্চ ৩১টি লঞ্চ দুর্ঘটনা এবং সর্বনিম্ন দুর্ঘটনার খবর রয়েছে ২০টি। অথচ ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে এ পর্যন্ত বছরে সর্বোচ্চ লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৬টি এবং সর্বনিম্ন ৫টি। তবে এর মধ্যে চলতি বছরে দুটি লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের কারণে নৌ-দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। মিডিয়াকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌ মন্ত্রণালয়, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, জেলা প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং করবে। এবারের ঈদে নৌরুটে চলাচলরত লঞ্চগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী যাতে না তুলতে পারে সে জন্য প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চে না উঠতে সবার প্রতি মন্ত্রী আহ্বান জানান।’
মন্ত্রী মো. শাজাহান খান আরো বলেন, তার মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা আছে যাত্রী সুবিধা বাড়াতে বরিশাল নদী বন্দরকে আরো সম্প্রসারিত করার। নৌ-পথে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য নৌ ফাঁড়ি স্থাপন, তাদের আবাস স্থান নির্মাণের। এছাড়া বরিশাল নদী বন্দরকে স্টীমারঘাট পর্যন্ত পন্টুন সম্প্রসরিত করার।
নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল বাশার মজুমদার বলেন, ঈদে নৌ-পথের লঞ্চ ও ফেরী ঘাটের প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে সকালে এমভি বাঙ্গালীতে ভোরে বরিশালে এসেছেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন বিআইডব্লিটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক, বিআইডব্লিটিসির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, মজিবর রহমান ও মো. হোসেন প্রমুখ। উপ-পরিচালক জানান, মন্ত্রী এরপর লাহারহাট ফেরী ও ইলিশা ফেরী পরিদর্শন শেষে লক্ষীপুরের যান।