বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭০.২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসিতে ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে পাশের হার। চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭০ দশমিক ২৮। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার বেড়েছে দশমিক ১৫ ভাগ। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক বিপ্লব কুমার ভট্টাচার্য্য সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে এইচএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন। এসময় তিনি জানান, এইচএসসিতে ২০১৫ সালে পাসের হার ছিল ৭০ দশমিক ৬ ভাগ, এরপরে ২০১৬ সালে দশমিক ০৬ ভাগ বেড়ে পাসের হার দাঁড়ায় ৭০ দশমিক ১৩ ভাগে। আর ২০১৬ সালের চেয়ে দশমিক ১৫ ভাগ বেড়ে ২০১৭ সালে দাঁড়িয়েছে ৭০ দশমিক ২৮ ভাগে। পাশাপাশি গত বছরের থেকে বেড়েছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা। গত বছরের থেকে এ বছর ২৮টি জিপিএ ৫ বেড়েছে। ২০১৬ সালে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ৭৮৭ জন, আর ২০১৭ তে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১৫ জনে। তবে ২০১৫ সালে এর সংখা ছিল এক হাজার ৩১৯ জন।

এসময় তিনি আরো জানান, এ বছরে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৫৭৯ জন, মানবিক বিভাগে ১২৪ জন ও বাণিজ্য বিভাগে পেয়েছে ১১২ টি। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছরে এইচএসসিতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল কম। এবছর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৬০ হাজার ৪৮৬ জন। যারমধ্যে ছাত্র ৩১ হাজার ৩৩৯ জন এবং ছাত্রী ছিল ২৯ হাজার ১৪৭ জন। এ বছর থেকে গত বছর প্রায় এক হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী বেশি অংশগ্রহণ করে। যার সংখ্যা ছিল ৬১ হাজার ৫৩৮ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৩২ হাজার ১৮১ জন এবং ছাত্রী ছিল ২৯ হাজার ৩৫৭ জন।

অপরদিকে এ বছর গত দুই বছরের চেয়ে বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। চলতি বছরে ৬০ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছেন, যা গত বছর ছিল ৩২ জন এবং এর আগের বছর ২৬ জন। এ বছর ৩২৯ কলেজের ১১৬টি সেন্টারে ৬১ হাজার ৯৩২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেন ৬০ হাজার ৪৮৬ জন এবং পাস করেছে ৪২ হাজার ৫০৭ জন। মেয়েদের ২৯ হাজার ৭৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেন ২৯ হাজার ১৪৭ জন এবং পাস করেছেন ২১ হাজার ৩৯৬ জন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন ৪১৮ জন, পাসের হার ৭৩.৪১। ছেলেদের ৩২ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেন ৩১ হাজার ৩৩৯ জন এবং এরমধ্যে ২১ হাজার ১১১ জন পাস করেছে, জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন ৩৯৭ জন, পাসের হার ৬৭.৩৬। সংবাদ সম্মেলণে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজিম।