বরিশালে মইদুল-পিরোজপুরে মহারাজ-পটুয়াখালীতে মোশারফ-বরগুনায় দেলোয়ার বিজয়ী

রুবেল খান ॥ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো জেলা পরিষদ নির্বাচন। ইউপি’র স্থগিত কেন্দ্রে পূণঃভোট গ্রহনের মত করেই এই নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষতার মধ্যে দিয়ে বরিশালের ৫টি জেলা পরিষদের ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। জনগনের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে বিভাগের চারটি জেলায় চেয়ারম্যান এবং পাঁচটিতেই সাধারন ও সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় শুধুমাত্র ভোলা জেলা পরিষদের কোন পদেই নির্বাচন হয়নি। ভোলা সকল পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন চেয়ারম্যান সহ সকল সদস্যরা। অপর একটি জেলায় চেয়ারম্যান পদে ভোট না হলেও সদস্য পদে প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা হয়েছে। এদিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে বরিশাল সদর সহ তিনটি জেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থীত প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। শুধুমাত্র পিরোজপুর জেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন মহারাজ বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ সমর্থীত প্রার্থীকে পরাজিত করে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সূত্রমতে, জেলা পরিষদের গঠনতন্ত্র পরিবর্তন এবং সংশোধনের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বারের মত ভোটের মাধ্যমে জেলা পরিষদ গঠনের নীতিমালা প্রনায়ন করা হয়। তবে জনগনের পরিবর্তে জনপ্রতিনিধিরা ভোটার হওয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচন অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় অনেকটাই ব্যতিক্রম। সে অনুযায়ী ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দীর্ঘ প্রচার প্রচারনা শেষে গতকাল ২৮ ডিসেম্বর বুধবার জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের প্রতিনিধি চেয়ারম্যান, সাধারন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
এর পূর্বে দেশের অন্যান্য জেলা পরিষদের ন্যায় গতকাল বুধবার সকাল ৯টায় ভোট গ্রহন শুরুর আগে থেকেই কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে ফেলা হয় প্রতিটি ভোট কেন্দ্র। ভোট গ্রহন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত ষ্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রত্যেকটি ভোট কেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে নিরাপত্তা জোরদারের দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্যরা। এছাড়াও র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব), পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ান (এপিবিএন), আনসার এবং গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। ফলে ভোটে কোন প্রকার অনিয়ম, জাল ভোট কিংবা কারচুপির অভিযোগের সুযোগ পাননি প্রার্থীরা। প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের কারনে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি কোন জেলাতেই।
বরিশাল জেলাঃ
প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ নির্বাচনে বরিশাল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থীত আনারস প্রতিকের প্রার্থী মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি মো. মইদুল ইসলাম। ৯৬৮ ভোট পেয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এবং কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এ্যাড. খান আলতাফ হোসেন পেয়েছেন ২৫৭ ভোট। সে অনুযায়ী মইদুল ইসলাম এর নিকট ৭১১ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন খান আলতাফ হোসেন ভুলু। বরিশাল জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান জানান, জেলার মোট এক হাজার ২৪০ ভোটারের মধ্যে এক হাজার ২২৮ জন ভোটাধীকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে তিনটি ভোট ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় বরিশাল জেলায় ৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মধ্যে শুধুমাত্র দুটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে একটি অর্থাৎ ৩নং ওয়ার্ডে ১৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সেলিনা বাদল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি খালেদা হক পেয়েছেন ১০১ ভোট। এছাড়া অপর ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন কান্তা দেবনাথ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আফরোজা কবির পেয়েছেন ৮৬ভোট। যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলো- ১নং ওয়ার্ডে পিয়ারা বেগম, ২নং ওয়ার্ডের উর্মিলা বাড়ৈ এবং ৫ নং ওয়ার্ডে আইরীন রোজা।
সধারন সদস্য’র ১৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত হওয়ায় বাকী ১০টি ওয়ার্ডে নির্বাচন হয়েছে। এতে ৩নং ওয়ার্ডে ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল বারী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মনিবুর রহমান পেয়েছেন ৩০ভোট। ৫৬ ভোট পেয়ে ৫নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে মাওলাদ হোসেন সানা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মামুন অর রশিদ পেয়েছেন ২০ ভোট। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে মে. আওরঙ্গজেব। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি গোলাম সালেহ মঞ্জু পেয়েছে ২৬ ভোট। ৭নং ওয়ার্ডে ৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ফরজানা বিনতে ওহাব। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আকতারুজ্জামান পেয়েছেন ৩৮। ৮নং ওয়ার্ডে মোহম্মাদ মুনাওয়ারুল ইসলাম ৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোয়াজ্জোম হোসেন চুন্নু পেয়েছেন ৩১ ভোট। ৯নং ওয়ার্ডে ৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জিল্লুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৩০ ভোট। ১২নম্বর ওয়ার্ডে ৫৩ ভোটপেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মিজানুর রহমান আরজু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি রাকিম মাহমুদ পেয়েছেন ২৬ ভোট। ১৩ নং ওয়ার্ডে ৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নিয়ামত আবদুল্লাহ্। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মো. সাইফুর রহমান পেয়েছেন ১৪ ভোট। ১৪ নং ওয়ার্ডে ২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মাছুদ আলম খান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাহিদুল ইসলাম মল্লিক পেয়েছেন ২৫ ভোট। ১৫ নং ওয়ার্ডে ২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন সহিদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মাসরুর আলম পেয়েছেন ২৪ ভোট। তাছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন ১নং ওয়ার্ডে রনজিৎ কুমার সমদ্দার, ২নং ওয়ার্ডে এইচ.এম হারুন অর রশীদ, ৪নং ওয়ার্ডে এসএম জামাল হোসেন, ১০ নং ওয়ার্ডে মো. দলিলুর রহমান সিকদার ও ১১ নং ওয়ার্ডে শহিদুল ইসলাম খান।
পটুয়াখালী জেলা ঃ
পটুয়াখালী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং সদ্য বিদায়ী প্রশাসক খান মোশারেফ হোসেন ৯৩০ ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নূর হোসেন জাহাঙ্গীর সিকদার পেয়েছেন মাত্র ৭৬ ভোট। সে অনুযায়ী খান মোশারেফ হোসেন ৮৫৪ ভোট বেশি পেয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন সিকদার পেয়েছেন মাত্র ৫ ভোট। এ জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো এক হাজার ৩০ জন। এর মধ্যে এক হাজার ২০জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। গৃহিত ভোটের মধ্যে ৫টি ভোট ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে।
বরগুনা জেলাঃ
বরগুনা জেলা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও আওয়ামী লীগ সমর্থীত প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি গৃহীত ভোটের মধ্যে পেয়েছেন ৫৯৪টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. জাফরুল হাসান ফরহাদ পেয়েছেন মাত্র ১৯ ভোট। সে অনুযায়ী ৫৭৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন মো. দেলোয়ার হোসেন। এ জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ৬১৮ জন। এর মধ্যে মাত্র ৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেননি। তাছাড়া গৃহীত ভোটের মধ্যে ত্রুটিপূর্ণ একটি ভোট বাতিল করা হয়েছে বলে জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার জানিয়েছেন। জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা হচ্ছেন, দারুল ইসলাম মাস্টার, মোজাম্মেল হোসেন, পান্না মিয়া, জাকির হোসেন, নাহিদ মাহামুদ হোসেন, মনিরুল ইসলাম দুলাল খান, আরিফুল হাসান, নাসির উদ্দিন, আবুল কালাম সিকদার, সুজন ফরাজী, এম এ খালেক, সগীর শরীফ, জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার ও জাহাঙ্গীর মোল্লা। সংরক্ষিত মহিলা সদস্যরা হচ্ছেন, আসমা আক্তার, পারুল আক্তার, শাহিনুর তালুকদার, দেলোয়ারা হামিদ ও ফৌজিয়া খানম। প্রার্থী সংক্রান্ত জটিলতার কারনে বেতাগীর ৫ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
বিবিচিনি, বেতাগী সদর ও বেতাগী পৌরসভা নিয়ে গঠিত ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মারুফ রেজার প্রার্থীতা বাছাইয়ের সময় বাতিল হয়েছে। তার পক্ষে হাইকোর্ট থেকে রায় দেয়া হয়েছে। হাইকোর্ট থেকে তার প্রার্থীপদ বৈধ ঘোষনা করায় নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। তিনি ছাড়াও এ ওয়ার্ডে বেতাগী পৌরসভার সাবেক মেয়র আবুল কাসেম ও বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহামুদুল হাসান মহসীন প্রার্থী রয়েছেন।
তাছাড়া ৬ নং ওয়ার্ডে নাহিদ মাহামুদ হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
পিরোজপুর জেলা ঃ
এছাড়া অনুষ্ঠিত চারটি জেলার মধ্যে শুধুমাত্র পিরোজপুর জেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এবং কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন মহারাজ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থীত আনারস প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহ আলমকে ১২৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং সর্বস্তরের মানুষের সমর্থীত প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন মহারাজ মোট ভোট পেয়েছেন ৪২৭টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ সমর্থীত প্রার্থী এবং সদ্য বিদায়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ শাহ আলম পেয়েছেন ৩০২ ভোট। এমনকি শাহ আলম তিনি তার নিজ কেন্দ্রেয় মহারাজ এর কাছে পরাজিত হয়েছেন। তাছাড়া নির্বাচনী মাঠে তৃতীয় এবং সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে টিকে থাকা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ একটি ভোটও পাননি। এ জেলায় মোট ভোটের মধ্যে গৃহীত ভোটের সংখ্যা ৭৩৫টি। জেলা পরিষদ নির্বাচনে মঠবাড়িয়ায় সদস্য নির্বাচিত হলেন যারা, পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মঠবাড়িয়া উপজেলার তিনটি ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল নয়টা থেকে তিনটি কেন্দ্রে ১৬৬ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
মঠবাড়িয়ার তিনটি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে সাবিনা ইয়াসমীন (ফুটবল), সাধারণ সদস্য পদে যায়েদা আফরোজ (টিউবওয়েল) ও মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন হেলাল মুন্সি (তালা) এছাড়া ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় অধ্যক্ষ মোঃ আজীম উল হক নির্বাচিত হয়েছেন।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হলেনঃ
ঝালকাঠি এবং ভোলা জেলা পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন, ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সদ্য বিদায়ী প্রশাসক সরদার শাহে আলম এবং ভোলায় নির্বাচিত হয়েছেন ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ভোলা জেলা পরিষদের সদ্য বিদায়ি প্রশাসক আব্দুল মমিন টুলু। এ দুটি জেলার মধ্যে ঝালকাঠিতে বেশ কয়েকটি সাধারন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে নির্বাচন হয়েছে। বাকিরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে ভোলা জেলায় চেয়ারম্যান, সাধারন কিংবা সংরক্ষিত সদস্য পদেও নির্বাচন হয়নি। এই জেলা পরিষদের সকল জনপ্রতিনিধিরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।