বরগুনায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর ধর্ষণ মামলা!

বরগুনা প্রতিবেদক ॥ স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ এনে মামলা করেছে স্ত্রী। বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরিফুল ইসলাম রোববার মামলাটি আমলে গ্রহন করে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনা পৌরসভার নয়াকাটা মাইঠা এলাকায়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বরগুনা সদর উপজেলার উত্তর লাকুরতলা গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে রেবা বেগমের সঙ্গে ১৮ বছর পূর্বে বরগুনা পৌরসভার নয়াকাটা সড়কের মৃত আবদুল কাদের চৌকিদারের ছেলে জহিরুল ইসলামের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুইটি সন্তানের জম্ম নেয়। স্বামী জহিরুল ইসলাম তার স্ত্রীর কাছে ২০০৫ সালে এক লাখ টাকা যৌতুক দাবী করেন। স্ত্রী রেবা বেগম বরগুনা আদালতে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করে। ওই সময় জহিরুল ইসলাম তার স্ত্রী রেবা বেগমকে তালাক দেয়। স্থানীয় সালিশগণ স্বামী স্ত্রীর বিরোধ মিমাংসা করে দেয়। পরে এ বছর ৫ মে আবার নতুন করে রেজিষ্ট্রি কাবিন করে জহিরুল ইসলাম স্ত্রী রেবা বেগমকে স্ত্রী স্বীকৃতি দিয়ে তার ঘরে তুলে নেয়। তিন দিন সংসার করার পর ৮ মে আবার রেবা বেগমকে জহিরুল ইসলাম রেজিষ্ট্রি তালাক দিয়ে গোপন রেখে একই ঘরে স্বামী স্ত্রী হিসাবে বসবাস করে। ২০ জুলাই স্ত্রী রেবা বেগম তালাকের বিষয়টি জানতে পেরে রোববার আদালতে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষনের মামলা করে।
রেবা বেগম জানান, জহিরুল ইসলাম তালাক গোপন করে তার সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার মাধ্যমে ধর্ষনের অপরাধ করেছে। আসামী জহিরুল ইসলাম তালাক দেওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, আমি রেবা বেগমের সঙ্গে তালাক দেওয়ার পর শারীরিক মেলামেশা করিনি। বরগুনার বিজ্ঞ পিপি অ্যাড. ভুবন চন্দ্র হাওলাদার জানান, তালাক দিয়ে স্ত্রীকে ঘরে রেখে শারীরিক মেলামেশা করলে ধর্ষন করার অপরাধ বলে গন্য হবে।