বরগুনায় শিশু সহ মা অপহরণে গ্রেপ্তার-১

বরগুনা প্রতিবেদক॥ আলভি (৮) ও তার মা রুবিকে বরগুনা সদরের চরকলোনী মক্কী মসজিদের পাশের রাস্তা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৭ টায় অপহরণ করে মাইক্রোবাসে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরে  রুবির বড় ভাই মোঃ মিঠু বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে বরগুনা সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৬৩০/১৪।
জানাগেছে, বরগুনা সদরের শিপেরখাল কড়ইতলা এলাকা থেকে সোমবার রাত ৮ টায় অপহরণকারী দলের সদস্য মোঃ জলিল (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে বরগুনা থানা পুলিশ। অন্য অপহরণকারী ও আসামীরা হচ্ছে, ছিদ্দিকুর রহমান শিবলী, খলিল, হায়দার ও রোকেয়া বেগম। এর মধ্যে অপহরণকারী জলিলকে গ্রেপ্তার করেছে বরগুনা থানা পুলিশ। তবে এখনো শিশু আলভি ও তার মা রুবি বেগমের কোন খোঁজ পায়নি পুলিশ।
রুবির পরিবার জানিয়েছেন, মামলা তুলে না নিলে আমাদের পরিবারের লোকজনকে খুন জখমের হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করবে বলে শাসিয়েছে অপহরণকারীর চক্র দলের সদস্যরা।
গোপন সূত্রে জানাগেছে, আসামী সিদ্দিকুর রহমান ইটালী প্রবাসী। তার নিদেশেই অপহরণকারীরা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। তিনি বিভিন্ন সময়ে মেয়েদের বিদেশে নেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনেক নিষ্পাপ শিশুদের মা হারা ও মেয়েদের সাজানো সংসার নষ্ট করেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আদম পাচারের অভিযোগে অপরাধ বিচিত্র বার্তা পত্রিকায় অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান জেল কয়েদী জলিলের সাথের  অন্যান্য আসামীদের নামে অপহরণ মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে। এ মামলার ৫নং আসামী হায়দার একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী। তার নামে বরগুনা থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধীক মামলা চলমান রয়েছে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ অপহরণ চক্রকারীদের ধরে সঠিক বিচারসহ রুবি ও তার ছেলে আলভিকে ফেরত পাওয়ার দাবী জানিয়েছে রুবির পরিবার।
বরগুনা সদর থানার এসআই মোঃ বশির জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২নং আসামী মোঃ জলিলকে শিপেরখাল কড়ইতলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার সাথে জড়িত অন্য আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।