ববি ভিসির অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোঠা না রাখার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজনে ওই কর্মসুচী পালন করা হয়। কর্মসুচী পালনকারীরা নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল ও মুক্তিযোদ্ধা কোটা অন্তর্ভুক্তসহ দূর্ণীতিবাজ ও স্বাধীনতা বিরোধী ভিসিকে অপসারনের দাবী জানিয়েছেন। নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড’স বরিশাল মহানগরের আহবায়ক শেখ সাঈদ আহম্মেদ মান্না। বক্তব্য রাখেন বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাবেক সভাপতি কাজল ঘোষ, সহ-সভাপতি শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা এ এমজি কবির ভুলু, ঘাতক দালাল নিমূল কমিটির নেতা শান্তি দাস, যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া, স্বে”ছাসেবক লীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ,  মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এ্যাড. গোলাম সরোয়ার রাজিব, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সিফাত প্রমুখ। এতে উপ¯ি’ত ছিলেন বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি এ্যাড. এস এম ইকবাল, মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন সেরনিয়াবাত, মুক্তিযোদ্ধা সংন্তান কমান্ড জেল্রা সদস্য সচিব মো. শাহারিয়ার কবির রিজন, মহানগর সদস্য মাহিদ খান প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা জানায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ পদে ৪১ কর্মকর্তা কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরন করা হয়নি। এছাড়াও নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সমতা বিধান প্রজ্ঞাপনকে অবমাননার মাধ্যমে জিপিএ ২.০০ থেকে জিপিএ ৩.০০ এর কম প্রাপ্তদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি। বক্তারা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়োগ বানিজ্য প্রতিষ্ঠানিক রুপ দিয়েছে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীয় চক্রের নিয়ন্ত্রনাধীন ওই চক্রটি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করা সহ নানা অনিয়মকে উৎসাহিত করছে। তাই স্বাধীনতা বিরোধী ভিসিকে  অপসারনের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন তারা। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বরাবর জেলা প্রশাসক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামানের মাধ্যমে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।