বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে ফাটল

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বিএম কলেজের বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাস ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। আর ফাটল থেকে ভবন ধসের ভয়ে সংকিত হয়ে পড়েছে নিবাসের ছাত্রীরা। এ আতংক থেকে অনেক ছাত্রী ইতোমধ্যে হোস্টেল ত্যাগ করে নিজ নিজ বাসা এবং মেসে অবস্থান নিয়েছে। এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন বনমালি গাঙ্গুলী ছাত্রীনিবাসের আবাসীক ছাত্রীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী হলের আবাসীক ছাত্রীরা জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে ভূমিকম্পন সৃষ্টি হচ্ছে। একারনে তাদের হোস্টেল ভবন কেপে উঠছে। আর এ থেকেই হয়তো হোষ্টেলের পুরাতন এ-ব্লক’র ভবনটির ২য় তলা ও নিচের সিঁড়ির রুমে বড় বড় বেশ কয়েকটি ফাটল ধরেছে। এর পূর্বেও ওই ভবনটিতে একাধিকবার ফাটল ধরেছিল। বিএম কলেজের ছাত্রীদের থাকার জন্য ছাত্রী নিবাস না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েও ওই ভবনটিতে থাকতে বাধ্য হচ্ছে সাধারন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবার আবার ভবনটিতে ফাটল দেখতে পেয়ে দুর-দুরান্ত থেকে আসা সাধারন ছাত্রীরা ভয়ে কেঁদে আতকে উঠে অন্যত্র ছোটা ছুটি করে। কিছু কিছু ছাত্রীদের বাসাবাড়ি বরিশালের আশ-পাশে হওয়ায় বিকালে তারা হোষ্টেল ত্যাগ করেছে। তবে দুর-দুরান্তের ছাত্রী ও পরীক্ষার্থীরা পরেছেন মহা বিপাকে। আতংকে না পারছেন হলে থাকতে আবার না পারছে হল ত্যাগ করতে।
জানতে চাইলে বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসের হল সুপার বিএম কলেজ মাকেটিং বিভাগের প্রধান শাহ-শাজেদা বলেন, ছাত্রী নিবাসের এ-ব্লকের ভবনটি ১৯৮৮ সালের নির্মীত। এটি অনেক আগেই পরিত্যক্ত করা হয়েছে। হোষ্টেল সংকটের কারনে বাধ্য হয়ে ছাত্রীদের ওই ভবনে রাখতে হচ্ছে। ভবনটি ঝুকিপূর্ন তা কলেজ কর্তৃপক্ষ সহ উদ্ধর্তন কর্র্তৃপক্ষ বেশ ভালো করে জানেন। তার পরেও নানান সম্যসায় জর্জরিত এই ছাত্রী নিবাসটি গতকালের ফাটলের পর ছাত্রীদের বুঝিয়ে কিছুটা শান্ত করে রেখেছেন। কিন্তু ঝুকিপূর্ণ ভবনে তারা নিজেরাও চরম আতংকিত বলে জানান হল সুপার। তাই এখনই ঝুকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মান না করা হলে যে কোন সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও মন্তব্য করেন এই শিক্ষক।