বঙ্গোপসাগরে দস্যুদের গুলিতে আহত-১৪ মুক্তিপনের জন্য ১৫ ট্রলার ও ৪০ জেলে অপহরন

নিজস্ব পতিবেদক॥ দক্ষিন-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলারে সশস্ত্র জলদস্যূ বাহিনীর গুলিতে  ১ জেলে গুলিবিদ্ধসহ ১৪ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জলদস্যুরা ৫৫ মাছ ধরা ট্রলারে ডাকাতির সময় ছোড়া গুলিতে আহত জেলে মো. হানিফকে (৫০) গতকাল শুক্রবার বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের কলাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ফিরে আসা জেলেরা দাবি করেছে জলদস্যুরা ১৫ মাছ ধরা ট্রলার ও ৪০ জেলেকে মুক্তিপনের জন্য অপহরন করেছে।
জেলেদের দেয়া তথ্যমতে অপহরন করা ট্রলার হলো- এফবি মায়ের দোয়া, এফবি ইসলাম, এফবি সুগন্ধা, এফবি নাসির ও এফবি নাসিরসহ ১৫ ট্রলার।
অপহৃত জেলেদের মধ্যে রয়েছেন, রত্তন, সফি, নিঝু, মনির, মোতাহারসহ ৪০ জন।
আলীপুর মৎস্য বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনসার আলী মোল্লা বনিকবার্তাকে জানান, এফবি নীলদরিয়া ট্রলারে জেলে হানিফকে গুলি করে রত্তন ও সফিকে অপহরন করেছে। সাগের ট্রলারে দফায় দফায় হামলার পর জাল, মাছ, তেল ও মুল্যবান মালামাল লুট করেছে জল দস্যুরা। ওই সময় প্রতিরোধের চেষ্ঠা করলে জলদস্যুদের বেপরোয়া গুলি করেছে।
এতে হানিফ বিদ্ধ হয়। অন্যদের মারধর করে আহত করেছে।
মহীপুর আড়তদার মালিক সমিতির সভাপতি দিদাউদ্দিন বলেন, গতকাল শুক্রবার যে সকল ট্রলার ঘাটে ফিরেছে সকলে শূন্য ছিলো। তাদের প্রত্যেক ট্রলারের ২/৩ জন করে জেলে অপহরন করেছে। সাগরের কুয়াকাটা থেকে ১০০ কিলোমিটার এলাকায় তান্ডব সৃষ্টি করে নির্বিঘেœ লুটপাট ও অপহরন করেছে। এ ঘটনার উপকূলীয় জেলে পল্লীতে আতংক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
মহিপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আবুল কাশেম জানান, ঘটনা সাগরের মধ্যে ঘটছে। এসব বিষয়ে তাদের তেমন করার কিছু নেই। তবুও অভিযোগ দেয়া হলে নেয়া হবে বলেন তিনি। ঘটনার শিকার ট্রলারগুলো খুলনা অঞ্চলের জানিয়ে এসআই কাসেম বলেন, এর মাছ ধরে বিক্রি করতে এসে জলদস্যুদের কবলে পড়েছে।