প্রতারিত যুবকসহ তিনজনকে প্রতারক সন্দেহে আটকের পর মুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ মালয়শিয়ায় প্রতারকের কথা অনুযায়ী নগরীতে অগ্রনী ব্যাংকের সদর রোড শাখায় এসে হট্টগোল করে থানা হাজতে যেতে হয়েছে প্রবাসী যুবক ও তার দুই সহযোগিকে। গতকাল রোববার প্রতারক চক্রের সদস্য সন্দেহে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করা মালয়শিয়া থেকে দেশে ফেরা যুবক হলো- মুলাদী উপজেলার তেরচর এলাকার মো. এবায়দুল্লাহ হাওলাদার। তার সাথে থানা হাজতে যেতে হয়েছে একই এলাকার জহিরুল হাওলাদার ও চাঁনপুরা ইউপির মো. শাহাদাতকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পাওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই শেষে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি শাখাওযাত হোসেন জানিয়েছেন।
অগ্রনী ব্যাংকের সদর রোড শাখার ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম শেখ জানান, এবায়দুল্লাহ ব্যাংকে এসে এক মাস পূর্বে মুলাদী শাখায় করা ২১ লাখ টাকার টিটি পৌছেনি বলে জানায়। তার দাবির প্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে ২১ লাখ টাকা টিটির বিষয়ে কিছু পাওয়া যায়নি।
তার কাছে টিটির রশিদসহ ব্যাংক হিসাব নম্বর চাইলে দিতে পারেনি। এমনকি হারানোর ঘটনায় করা জিডি হারিয়ে গেছে বলে দাবি করে। কোন প্রমান দেখাতে না পারলেও তাকে ২১ লাখ টাকা ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে দাবি করে হট্টগোল শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশকে খবর দিলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। তখন তাদের আটকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, এবায়দুল্লাহ মালয়শিয়ায় এক প্রতারকের খপ্পড়ে পড়ে। সে তাকে অগ্রনী বা জনতা ব্যাংকের যে কোন শাখায় গিয়ে জানালে পাওনা ২১ লাখ টাকা টিটি করে পাঠিয়ে দেয়ার কথায় দেশে আসে।
সে অনুযায়ী ওই শাখায় গিয়ে টিটির টাকা দাবি করে। তাকে উপ-পুলিশ কমিশনারসহ পুলিশ কর্তার জিজ্ঞাসাবাদ এবং পাওয়া তথ্য যাচাই করে সত্যতা পেয়েছেন। তাই তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।