প্রক্সী দিতে এসে মামলার আসামী ১০ যুবক ও ১০ যুবতী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সী দিতে আসার অভিযোগে আটক ২০ জনসহ ২০ নামধারী এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় ওই মামলা করে এসআই সমীরণ মন্ডল।
আসামীদের বিরুদ্ধে পরীক্ষার নমুনা উত্তরপত্র সংরক্ষণ ও প্রবেশ পত্রে ইলেকট্রনিক বিন্যাসের মাধ্যমে ছবি বিকৃত এবং সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আসামীরা হলো- মুলাদীর গাছুয়া এলাকার মো. মোতালেব কাজীর ছেলে সজিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার সোনাইগাতি গ্রামের মৃত আ. লতিফ সরদারের ছেলে মামুনুর রশীদ, চাঁদপুর কচুয়া থানার আকানিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম, মুলাদী দক্ষিণ গাছুয়া গ্রামের সামসুল হক সিকদারের ছেলে মিরাজ সিকদার, বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাগদিয়া গ্রামের মো. রুস্তম আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেরার চানপুর গ্রামের নোমানীর ছেলে শহিদুল ইসলাম, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার রোকনদি গ্রামের আ. কাদেরের ছেলে নুরুল আমিন, ভান্ডারিয়া উপজেলার দাওয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে মো. রাসেল, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার লেঙ্গুটিয়া গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. হাসান, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আ. মান্নানের ছেলে মো. ফয়সাল, মুলাদী উপজেলার চরকালনা গ্রামের হেলাল উদ্দিন ঢালির কন্যা শারমিন, একই গ্রামের আনোয়ার হোসেন মৃধার কন্যা নাজমিন নাহার, মুলাদী উপজেলার চরলক্ষিপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের কন্যা আখি নূর, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আজিমপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা শামিমা, হিজলা উপজেলার বদরটুনি গ্রামের আলি আহমেদ ঘরামীর কন্যা সাথী, হিজলা উপজেলার কাউরিয়া গ্রামের মাসুদ ঢালীর কন্যা জান্নাত, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মধ্যভাঙ্গা গ্রামের আ. গণি সরদারের কন্যা শারমিন, মুলাদী উপজেলার ষোলঘর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে জান্নাত, হিজলা উপজেলার কঙ্গোনি ভাঙ্গা এলাকার আব্দুল রাজ্জাকের কন্যা শাহিনা ও মুলাদী উপজেলার চরকালেখাঁ গ্রামের মাওলানা সামসুল হকের কন্যা রোকেয়া। এছাড়া নামধারী অপর আসামী হলো উজিরপুরের বরাকোঠা গ্রামের মোল্লা বাড়ীর জুয়েল মোল্লাসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১৫ জন।
এদের মধ্যে সজিবুল ইসলামের কাছ থেকে প্রার্থীদের মোবাইল নম্বর ও টাকার হিসাবের তালিকা, সাতটি মোবাইল সেট, সাতটি হেটফোন, সাতটি চার্জার, ল্যাপটপ তিনটি, নগদ পাচ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
কোতয়ালী মডেল থানার এসআই গোলাম কবির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি আটককৃতরা আবাসিক হোটেল এথেনায় অবস্থান করে প্রবেশপত্রে দেওয়া স্বাক্ষর নকল করার চেষ্টা করছে। এমন খবরে হোটেল এথেনার বিভিন্ন কক্ষে অভিযান চালিয়ে এদের আটক ও নগদ অর্থসহ মালামাল উদ্ধার করা হয়।