প্যানেল মেয়র শহীদুল্লাহ’র বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ অবশেষে প্রত্যাহার করে নেয়া হলো বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-১ আলহাজ্ব কে.এম শহীদুল্লাহ’র সাময়িক বরখাস্তের আদেশ। একই সঙ্গে ঐ ওয়ার্ডের অতিরিক্ত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মজিবুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অফিস আদেশের মাধ্যমে কে.এম শহীদুল্লাকে তার দায়িত্ব পালনের অনুমতি দিয়েছেন বিসিসি কর্তৃপক্ষ। এর পূর্বে উচ্চ আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য গত ২৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন শাখা-১ থেকে ৪৬.০০.০০০০.০৭০.০০৪.২৯২.১৩-৯৯৪ নং স্বারকে আলহাজ্ব কে.এম শহীদুল্লাহ’র বরাখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে বিসিসিতে একটি আদেশ প্রেরন করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব কে.এম শহীদুল্লাহ তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের করা রীট মামলার আদেশ যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নের নিমিত্বে ইতিপূর্বে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে করা তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ ৬ মাসের জন্য প্রত্যাহার করা হলো।

একই অফিস আদেশে আলহাজ্ব কে.এম শহীদুল্লাহ’র ১২নং ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মজিবুর রহমানকে ১২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

এর পূর্বে র‌্যাবের দায়ের করা অস্ত্র মামরার চার্জশিট ভুক্ত বিসিসি’র প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর কে.এম শহীদুল্লাহকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করেন মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি কর্পোরেশন শাখা। মন্ত্রনালয়ের এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে একটি রীট মামলা করেন কাউন্সিলর কে.এম শহীদুল্লাহ। ঐ মামলায় আদালতের বিচারক শহীদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে দেয়া বরখাস্তের আদেশ ৬ মাসের জন্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে মন্ত্রনালয় থেকে কাউন্সিলর কে.এম শহীদুল্লাকে তার দায়িত্ব ফিরিয়ে দিয়েছেন।