পূজায় মেয়রের সহযোগিতার আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আহসান হাবিব কামাল বলেছেন আসন্ন শারদীয় দূর্গোৎসব নির্বিঘেœ পালনের লক্ষ্যে বিসিসি’র সর্বাত্মক সহযোগীতা থাকবে। মন্ডপগুলোতে কোন বখাটের স্থান হবে না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহন করা হবে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় বিসিসি’র সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ ও বিভিন্ন পূজা মন্ডপের প্রতিনিধিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি  ঐ কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন বিসিসির সকল কাউন্সিলর নিজ নিজ এলাকায় মন্ডপগুলো দেখভাল করবেন। যে কোন সমস্যা দূর করতে তারা সচেষ্ট আছেন। অন্যদিকে তার আহাবানে দশমী পূজা শেষে প্রতিমা বিসর্জন রাত ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে শেষ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। বিসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক রাখাল চন্দ্র দে, বড় কালী মন্দির কমিটির সভাপতি মৃণাল কান্তি সাহা, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান টিপু, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র দে নারু, সাধারন সম্পাদক সুরঞ্জিৎ দত্ত লিটু, শংকর মঠ কমিটির পক্ষে বাসুদেব কর্মকার ভাষাই। বক্তারা সকলেই শারদীয় দূর্গোৎসবে বিসিবি মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। পরে মেয়র বিসির পক্ষ থেকে নগরীর সার্বজনীন পূজা মন্ডপ প্রতি নগদ ১২ হাজার টাকা এবং ব্যাক্তিগত মন্ডপ প্রতি ৬ হাজার টাকা করে প্রদান করেন। এছাড়া দুঃস্থ ও হত দরিদ্রদের বিতরনের জন্য দুই হাজার শাড়ি প্রদানের কথা জানান।  সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান  প্রকৌশলী মোঃ তারেকুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র কেএম শহিদুল্লাহ, কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলাল, কাউন্সিলর গাজী নঈমুল হোসেন লিটু সহ বিসিসির বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৃন্দ। অন্যদিকে বিভিন্ন পূজা মন্ডপের পক্ষ থেকে ছিলেন মুকুল চন্দ্র মুখার্জী, অমূল্য রতন বর্ধন, কিশোর কুমার দে, জয়ন্ত দাস, শেখ চন্দ্র দাস, গোপাল সাহা ও সুবল চন্দ্র সাহা প্রমুখ। উল্লেখ্য এ বছর বরিশাল নগরীতে ২৮ টি সার্বজনীন ও ৬টি ব্যক্তিগত সহ মোট ৩৪টি মন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।