পুলিশের উপর হামলা মামলায় ২০ জোটের ৬৭ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে চার্জশীট

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ হরতালের সমর্থনে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের উপর হামলার মামলায় বিএনপি জামায়াত ও শিবিরের ৬৭ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট জমা দেয়া হয়েছে। একই সাথে ৮ নেতাকর্মীর মামলা থেকে অব্যহতি চাওয়া হয়। আদালতে উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট থানার জিআরও এর কাছে চার্জশীট জমা দেয়া হয়। চার্জশীট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার এসআই আবু তাহের। চার্জশীটে উল্লেখিত পলাতক অভিযুক্তরা হলো, মহানগর জামায়াতের সভাপতি নায়েবে আমীর মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, নায়েবে আমীর বজলুর রহমান বাচ্চু, জামায়াত নেতা বারেক হোসেন ওরফে এমপি বারেক, ৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গির হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, মহানগর ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি শাহবুদ্দিন মোল্লা ও কাউসার উদ্দিন, শিমু। এরা পলাতক থাকায় চার্জশীটে এদের গ্রেফতারি পরোয়ানার জন্য আবেদন করা হয়। এছাড়াও গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সম্পাদক আবুল কালাম শাহীন মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ জাকির হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল করিম, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল আমিন, সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খলিফা, ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি রাহাতুল ইসলাম রাহাত, সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান বাপ্পি, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম তোতা, সম্পাদক কবির সিকদার, সহ সম্পাদক ফিরোজ আল আমিন, ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আনিচুর রহমান মামুন, ১৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম খোকন, এ্যাডঃ পারভেজ আকন বিপ্লব, এ্যাডঃ তছলিম ও সজুব আকন সহ ৫৭ জন নেতাকর্মী। অপরদিকে ৬নং ইউপি জামায়াতের সভাপতি বজলুর রহমান সিকদার, মহানগর জামায়াত সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম। আরও জামায়াত কর্মী সাইফুল ইসলাম মুন্না, ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সুলতান আহাম্মেদ খান, কালু ও সৈয়দ মিজানুর রহমান কে মামলা থেকে অব্যাহতি চাওয়া হয়। চার্জশীট সূত্রে জানাগেছে, ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর হরতালের সমর্থনে উল্লেখিত অভিযুক্তরা ২০ দলীয় জোটের হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করে। এ সময় সরকারি কাজে বিঘœ সৃষ্টির জন্য পুলিশ বাধা দিলে তারা হামলা চালায় ও গাড়ি ভাংচুর করে। এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানার এসআই মজিবুর রহমান বাদী হয়ে থানায় এজাহার নামীয় কয়েকজন সহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করে। মামলার প্রায় দেড় বছর পর তদন্ত শেষে ওই চার্জশীট জমা দেয়া হয়।