পুলিশের অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ স্বর্পরাজ মান্না পাহারীকে উদ্ধার করে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কোতয়ালী মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান ও মডেল থানার ওসি শাহ মো. আওলাদ হোসেন। মান্নাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করার খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে গিয়ে মৃত্যু পথযাত্রী মান্না পাহাড়ীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এছাড়াও তাৎক্ষনিক তার সকল চিকিৎসার ব্যয় বহন করে দায়িত্ব পালনে নতুন দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন চৌকষ দুই পুলিশ কর্তা। তাদের এমন ভুমিকায় পুলিশ বাহিনীর সকলের জন্য অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এসি আসাদ ও ওসি আওলাদ প্রমান করে দিয়েছেন পুলিশই জনগনের প্রকৃত বন্ধু।

প্রত্যক্ষর্দীরা জানায়, গতাকাল সোমবার রাতে সর্বরাজ মান্না পাহারীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ইয়াবা সম্রাট রাজা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এর পর দীর্ঘ সময় রাস্তার পাশে পড়ে মৃত্যুর যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছিলো মান্না। কিন্তু রাজা বাহিনীর ভয়ে তাকে কেউ উদ্ধারের সাহসও পাচ্ছিলো না। সেই মুহুর্তে কোতয়ালী মডেল থানার দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান এবং মডেল থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শাহ মো. আওলাদ হোসেন পুলিশের টিম নিয়ে ঘটনা¯’লে ছুটে যান। তারা স্বজনদের অপেক্ষা করেননি দ্রুত জিপে তুলেই মান্না পাহারীকে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ভর্তি থেকে শুরু করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা সেবার ব্যবস্থা করেন পুলিশের এই দুই কর্মকর্তা। কেননা মান্না পাহারী দুঃসময়ে হাসপাতালে এক প্রকার বে-ওয়ারিশ হিসেবেই পড়েছিলো। তার চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং ওষুধপত্র আনার লোকও ছিলো না। সেই দুঃসময়ে সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান এবং ওসি শাহ মো. আওলাদ নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে তাকে ওষুধ এবং চিকিৎসা উপকরন এনে দেন। দুই কর্মকর্তার এমন উদারতা হাসপাতালে উপস্থিত সাধারন মহলের কাছে প্রসংশার বিষয় হয়ে ওঠে। পুলিশের এই উদারতার কারনেই সর্পরাজ মান্না পাহাড়ী’র প্রান রক্ষা পেয়েছে।