পটুয়াখালী ও বরগুনার রাখাইনদের রক্ষায় ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ পটুয়াখালীর খেপুপাড়া ও বরগুনার তালতলী উপজেলার বনজঙ্গল কেটে আবাদি জমি তৈরি করে অঞ্চলকে বসবাসযোগ্য গড়ে তোলা লক্ষাধিক রাখাইদের মধ্যে বর্তমানে টিকে আছে মাত্র আড়াই হাজার জন।  ১৯৪৮ সালে পটুয়াখালিতে ১৪৪ ও বরগুনাতে ৯৩ রাখাইনপাড়া ছিল। বর্তমানে ২৬ ও ১৩ পাড়া টিকে আছে বলে রাখাইন জনপদ পরিদর্শনের পর ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন নাগরিক প্রতিনিধি দল এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সরেজমিন পরিদর্শনোত্তর নাগরিক প্রতিনিধি দলের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস। মুল বক্তব্যে তিনি বলেন, শতাব্দী প্রাচীন কুয়াকাটা বৌদ্ধবিহারের ৯৯ শতাংশ জমির অধিকাংশ দখল হয়ে গেছে। দখলদারী ভূমিকা থেকে স্থানীয় প্রশাসনও বাদ যায়নি, স্থানীয় পৌরভবনের প্রস্তাবিত ভবন নির্মাণের জন্য বৌদ্ধ বিহারের জায়গা দখল করা হয়েছে। আমরা জানি দেবোত্তর সম্পত্তি কখনো বিক্রয়যোগ্য নয়, কিন্তু প্রভাবশালীরা এক শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তার যোগসাজশে মিথ্যা দলিলের মাধ্যমে রাখাইনদের পবিত্র উপাসনালয়ের জমির অনেকাংশ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। ১৯০৬ সালে এ এলাকায় ১৯টি বৌদ্ধ মন্দির ও বিহার ছিলো।  সেখানে ১টি মন্দির কোনোভাবে টিকে আছে। চুরি হয়ে গেছে ভগবান বুদ্ধের পিতল, পাথর, কাঠ ও চুনাপাথরে নির্মিত মূর্তি। অধিকাংশ বুদ্ধমূর্তি চুরি হয়েছে ২০০১ সালে।
তিনি বলেন, রাখাইনরা সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম থেকেও বঞ্চিত। তাই হারিয়ে যেতে থাকা রাখাইনদের রক্ষায় নানা সুপারিশ ও দাবি করা হয়েছে।